Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Chabahar Port

বাজেটে বরাদ্দ শূন্য! মোদি ইজরায়েল যেতেই চাবাহার নিয়ে হতাশা প্রকাশ ইরানের, ‘বন্ধু’ হারাবে ভারত?

কৌশলগত দিক থেকে চাবাহার ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে আর পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার না করেই আফগানিস্তান, ইরান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য-সম্পর্ক জোরদার করতেই ইরানের চাবাহারে সমুদ্রবন্দর গড়ে তুলেছিল ভারত। দিয়েছিল মোট ৫০ কোটি ডলার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৭:২৩

options
link
বাজেটে বরাদ্দ শূন্য! মোদি ইজরায়েল যেতেই চাবাহার নিয়ে হতাশা প্রকাশ ইরানের, ‘বন্ধু’ হারাবে ভারত? zoom
এই প্রথমবার ইরানের চাবাহার বন্দরে শূন্য বরাদ্দ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।
Advertisement

কেন্দ্রীয় বাজেটে এই প্রথমবার ইরানের চাবাহার বন্দরে (Chabahar Port) শূন্য বরাদ্দ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তা নিয়ে এবার মুখ খুলল তেহরান। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল প্রধানমন্ত্রী যখন ইজরায়েল সফরে রয়েছেন, ঠিক তখনই ইরানের তরফে প্রতিক্রিয়া এল। তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটে চাবাহারে শূন্য বরাদ্দ নিয়ে তারা অসন্তুষ্ট।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “মোদি বলেছিলেন, চাবাহার একটি সোনালী দরজা। যা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে মধ্য এশিয়া, ককেশাস এবং ইউরোপের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এটি একটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্দর। যদি এই বন্দর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়, তাহলে এটি ইরানের মাধ্যমে মধ্য এশিয়া, ককেশাস এবং ইউরোপের সঙ্গে ভারতকে সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।” কেন্দ্রীয় বাজেটে চাবাহার বর্জন নিয়ে আরাঘাচিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ভারত এবং ইরানের জন্য এটা খুবই হতাশার।” বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, মোদির ইজরায়েল সফরে কার্যতই রুষ্ট হয়েছে তেহরান। তাই ঘুরিয়ে ভারতকে বিঁধতে শুরু করেছে তারা। অতিরিক্ত ‘ইজারায়েল ঘনিষ্ঠতায়’ কি তাহলে ইরানের মতো বন্ধুকে হারাতে চলেছে ভারত? এই প্রশ্নটিই এখন জোরাল হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি পেশ করা কেন্দ্রীয় বাজেটে এই প্রথমবার চাবাহার বন্দরে শূন্য বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। অতীতে চোখ রাখলে দেখা যাবে ইরানের মাটিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করে আসছে কেন্দ্র। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল নয়াদিল্লি। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট প্রাথমিক ভাবে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাড়িয়ে ৪০০ কোটি করা হয়। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে চাবাহার বন্দরের জন্য এক পয়সাও বরাদ্দ করল না কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকার কূটনৈতিক চাপ।

উল্লেখ্য, কৌশলগত দিক থেকে চাবাহার ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে আর পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার না করেই আফগানিস্তান, ইরান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য-সম্পর্ক জোরদার করতেই ইরানের চাবাহারে সমুদ্রবন্দর গড়ে তুলেছিল ভারত। দিয়েছিল মোট ৫০ কোটি ডলার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.