Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
PM Modi

বিবিসির সিরিজে মোদি-বিরোধী প্রোপাগান্ডা! ক্ষোভ উগরে দিল বিদেশ মন্ত্রক

'দ্য মোদি কোয়েশ্চেন' দেখানো হচ্ছে না ভারতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৩, ১৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৩, ১৯:৪৭

options
link
বিবিসির সিরিজে মোদি-বিরোধী প্রোপাগান্ডা! ক্ষোভ উগরে দিল বিদেশ মন্ত্রক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দ্য মোদি কোয়েশ্চেন’। বিবিসির বিতর্কিত ডকু-সিরিজ ঘিরে সমালোচনায় মুখর হল বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী কার্যতই ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানিয়েছেন, ওই সিরিজটি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং এটিতে বস্তুনিষ্ঠতার অভাব ও ঔপনিবেশিক মানসিকতা দৃশ্যমান। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এই সিরিজ ভারতে দেখাতে দেওয়া হবে না।

শুরু থেকেই বিতর্ক ঘনিয়েছে এই সিরিজকে ঘিরে। গত মঙ্গলবার সম্প্রচার হয় ধারাবাহিক এই সিরিজের প্রথম পর্ব। কিন্তু পরদিনই সেটা ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্ব ২৪ জানুয়ারি সম্প্রচারিত হওয়ার কথা। যার বিষয়বস্তু হল গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সময়কাল। BBC জানিয়েছে, নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় কীভাবে ভারতের মুসলিমদের প্রতি তাঁর সরকারের মনোভাব নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে, সেটাই এই সিরিজে দেখানো হবে। ভারতে না দেখানো হলেও দেশের বাইরে থাকা ভারতীয়রা ইতিমধ্যেই এই সিরিজটিকের তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হিন্দু নন, কেরলের শিবমন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হল না দক্ষিণী অভিনেত্রী অমলা পালকে! ]

ব্রিটেনের (UK) ‘হাউস অফ লর্ডসে’র সদস্য লর্ড রামি রেঞ্জার ওই সিরিজটির নিন্দা করেছেন। তাঁর দাবি, এই সিরিজে যা দেখানো হয়েছে তাতে কোটি কোটি ভারতীয়র ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। কেননা এখানে মোদিকে নির্বাচন করা ভারতীয় গণতন্ত্রকে যেমন অপমান করা হয়েছে, তেমনই খাটো করা হয়েছে দেশের বিচার ব্যবস্থাকে।

এদিকে ব্রিটেনের বিদেশ সচিব জ্যাক স্ট্রকে ওই সিরিজে বলতে শোনা গিয়েছে, ২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গা নিয়ে তদন্ত হয়েছিল। এবং সেই সূত্রে তিনি ব্রিটেনের কোনও অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের কথাও বলেছেন। তাঁর এহেন দাবিকে কটাক্ষ করে অরিন্দম বাগচীর জবাব, ”উনি ব্রিটেনের কোনও অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের কথা বলেছেন। সেটা আমরা কীভাবে। তাছাড়া ওটা ২০ পাতার রিপোর্ট। তাহলে সেটার উপরে লাফিয়ে পড়তে হবে কেন।”

তবে এই বিতর্ক থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি শুনাক। তবে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে ওই সিরিজে দেখানো হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি একমত নন। পাক বংশোদ্ভূত ব্রিটেনের এমপি ইমরান হুসেনের প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলেন ঋষি। 

[আরও পড়ুন: ‘সুজন দাশগুপ্তর কাছে আমি ঋণী’, লেখকের মৃত্যুতে শোকাতুর ‘একেনবাবু’ অনির্বাণ চক্রবর্তী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.