‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে ইরান। এর জেরে গোটা বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা নাকি ভারতকে রাশিয়ার থেকে ৩০ দিনের জন্য তেল কেনার ‘অনুমতি’ দিয়েছে (Russian Oil Waiver For India)। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “যুদ্ধের জেরে উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চল। ফলে তেল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে চাপ কামানোর জন্যই ভারতে রাশিয়া থেকে তেল কেনায় সাময়িকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে চাপ কমাতে আমি যথাযথ পদক্ষেপ করব।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, “আমেরিকার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে যথেষ্ট তেল রয়েছে। প্রায় ৪১৫ মিলিয়ন ব্যারেল। আমাদের কোনও অসুবিধা হবে না।”
আরও পড়ুন:
রুশ তেল কেনায় ভারতকে আমেরিকার ‘অনুমতি’ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে শনিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে নয়াদিল্লি। নিজেদের পুরনো অবস্থান আবারও স্পষ্ট করে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের স্বার্থে যেখানে সস্তায় তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই তেল কিনবে ভারত। উৎস বদলালেও সাপ্লাইয়ে কোনও প্রভাব পড়বে না।
অন্যদিকে, রিপোর্ট বলছে, ভারত তাদের মোট তেলের প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশই মেটায় আমদানি মারফত। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির হিসেব বলছে, রাশিয়া এখনও ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী। দৈনিক ১০ লক্ষ ব্যারেল মস্কো থেকে আমদানি করে নয়াদিল্লি। অর্থাৎ দেশের তেল আমদানির ২৫ থেকে ৩০ শতাংশই আসছে রাশিয়া থেকে। এই ফেব্রুয়ারিতেও। কেবল এই পরিসংখ্যানই ‘অনুমতি’র ধারণাকে নস্যাৎ করে দিতে পারে। যদি সত্যিই রাশিয়া থেকে তেল কিনতে আমেরিকার ‘অনুমতি’ নিতে হত, তাহলে এই বিপুল পরিমাণে রুশ তেল আমদানি সম্ভব হত না!
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন