Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Donald Trump

‘পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষবিরতি’, দিল্লির অস্বস্তি বাড়িয়ে শাহবাজ-মুনিরকে প্রশংসায় ভরালেন ট্রাম্প

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যে নিজেদের ঘরে কূটনৈতিক ফসল তুলছে পাকিস্তান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৬:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৬:৪২

options
link
‘পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষবিরতি’, দিল্লির অস্বস্তি বাড়িয়ে শাহবাজ-মুনিরকে প্রশংসায় ভরালেন ট্রাম্প zoom
Advertisement

ইসলামাবাদেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দ্বিতীয় দফায় ইরান-ইজরায়েল শান্তি বৈঠক। এর মধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এর জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে কৃতিত্ব দিলেন তিনি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মূলত পাকিস্তানের অনুরোধেই এযাত্রায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যে নিজেদের ঘরে কূটনৈতিক ফসল তুলছে পাকিস্তান। অন্যদিকে মোদির ‘বন্ধু’র পাক প্রশংসায় অস্বস্তি বাড়ছে দিল্লির।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, “বর্তমানে ইরান সরকার দ্বিধাবিভক্ত। এটাই স্বাভাবিক। এই অবস্থায় তাদের নেতৃত্ব একটি ঐক্যবদ্ধ শান্তিপ্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত, উভয়পক্ষে সদার্থক আলোচনা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের উপর হামলা স্থগিত রাখা হচ্ছে।” তবে হরমুজ প্রণালীতে এবং ইরানের উপকূলীয় বন্দরগুলোর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন সামরিক বাহিনী “অন্যান্য সকল দিক থেকে প্রস্তুত থাকবে” বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। হরমুজে এই ‘দাদাগিরি’ নিয়েই আপত্তি তুলেছে তেহরান। তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে মার্কিন শর্তে সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হবে না।

Advertisement

ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি জানিয়েছে, তেহরান মার্কিন (যুদ্ধবিরতি) শর্ত মানবে না। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় শান্তি বৈঠক নিয়ে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে আমেরিকা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইসলামাবাদেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, বৈঠকে যোগ দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। কিন্তু শনিবার ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, “দ্বিতীয় শান্তি বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসমাইলের এই মন্তব্য শান্তি বৈঠকে ইরানের যোগদান আরও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিল।

সোমবার হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দু’টি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করে ওয়াশিংটন। এবিষয়ে ইসমাইল বলেন, “আমেরিকার এহেন কার্যকলাপ প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তাদের সরকার একটি জঙ্গি সরকার। শুধু তা-ই নয়, তারা জলদস্যুও বটে।” পাশাপাশি, শান্তি আলোচনায় যোগদানে আমেরিকার সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সূত্রের খবর, শান্তি বৈঠকে ইরানের যোগদানে অনীহার অন্যতম কারণ হল হরমুজে মার্কিন অবরোধ।

অন্যদিকে, মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান জানিয়েছে, শান্তি বৈঠকে যোগদান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরান এখনও কিছু জানায়নি। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লা তারার তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় ইরান প্রতিনিধি দল পাঠাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরান এখনও কিছুই জানায়নি। আমরা অপেক্ষায় আছি। ইরানের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগেও রয়েছি।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.