ইউক্রেন যুদ্ধে আমেরিকাকে সাহায্য না করা, পরবর্তীতে জি-৭ সম্মেলনে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছে দু’জনের মধ্যে বাগযুদ্ধ। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ মেলোনির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ট্রাম্প। বললেন, “আমি ওঁকে পছন্দ করি।” অবশেষে কি তাহলে মধুর হচ্ছে দু’দেশের সম্পর্ক?
মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দিয়েছে ট্রাম্প। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কটা খারাপ ছিল। শুধু তাই নয়, ইটালি আমাদের সাহায্য করতে অস্বীকার করায় তা আরও কিছুটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। মেলোনি হরমুজ প্রণালী কিংবা ইরানের কোনও বিষয়ে জড়াতে জড়াতে রাজি হননি। এটা তাঁর জন্য ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ, ইটালি একা বড় অংশের তেল আমদানি করে। কিন্তু আমাদের তা দরকার পড়ে না।” কিন্তু পড়ে অন্য একটি সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “সব কিছু সত্ত্বেও আমি তাঁকে পছন্দ করি। কারণ, তিনি একজন ভালো মানুষ।” যদিও তাঁর এই বন্ধুত্বের বার্তার পর ইটালির প্রধানমন্ত্রী কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, জি-৭ সম্মেলনের পর থেকে ট্রাম্প এবং মেলোনির দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “উনি সম্ভবত খুশি যে আমি ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি আমাকে ওঁর সঙ্গে ছবি তুলতেও অনুরোধ করেছিলেন। খুবই পীড়াপীড়িও করছিলেন। আমি ছবি তুলতাম না, কিন্তু আমার খারাপ লাগছিল।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে মেজাজ হারান ইটালির প্রধানমন্ত্রীও। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য পুরোটাই মিথ্যে। আমি সত্যিই বিস্মিত। আমি জানি না কেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন আচরণ করেন মিত্রদের সঙ্গে! তবে এমন ঘটনা যে এই প্রথমবার, তা কিন্তু নয়। যদিও শত্রুদের ক্ষেত্রে তিনি একই রকম দৃঢ়তা দেখান না। বরং অনেক বেশি নমনীয় আচরণ করেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পুলিশি হস্তক্ষেপে দখলমুক্ত অনুব্রতর কার্যালয়, তৃণমূল নেতা বললেন…
-
‘সনাতন ধর্মকে দোষ দেবেন না’, রাম মন্দিরে অনুদান চুরির ঘটনায় ফুঁসছেন অনুপম খের
-
দখলদারি-তোলাবাজিই ছিল পেশা, ‘দিদিগিরি’ চালিয়ে ধন কুবের! বিরোধীদের নিশানায় লাভলি
-
যোগীরাজ্যে উদ্ধার লক্ষ টাকার ভেজাল চা! এই ঘরোয়া টোটকায় বুঝে নিন চা আসল না নকল
-
স্রেফ কল রেকর্ড এবং হোটেলের বিলই পরকীয়া প্রমাণে যথেষ্ট! বলছে সুপ্রিম কোর্ট