BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

মানবিক আরবভূমি, করোনা আক্রান্ত ভারতীয়ের দেড় কোটি টাকা বিল মকুব দুবাই হাসপাতালের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: July 16, 2020 6:17 pm|    Updated: July 16, 2020 6:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিকিৎসা পরিষেবার দেড় কোটি টাকা বিল মকুব, তার উপর বিমানের টিকিট কেটে দিয়ে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা। ভারতীয় রোগীর প্রতি এমনই ঔদার্যের নজির রাখল আরব দেশের এক হাসপাতাল। আপ্লুত তেলেঙ্গানার বাসিন্দা ওই ভারতীয়। দুবাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহায়তাতেই তিনি নিজের বাড়ি ফিরেছেন সদ্য।

হায়দরাবাদের বাসিন্দা বছর বিয়াল্লিশের রাজেশ ওড়নালা গত দু’বছর ধরে দুবাইয়ে একটি নির্মাণ সংস্থায় কর্মরত। তিনি একাই থাকতেন দুবাইতে। এপ্রিল মাসের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বেসরকারি দুবাই হাসপাতালে তাঁকে ভরতি করা হয়।

[আরও পড়ুন: কবে আসছে অক্সফোর্ডের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন? বৃহস্পতিবারই দিন ঘোষণার জল্পনা]

এরপর গত মাসে আচমকা তাঁর শরীরে করোনা (Coronavirus) বাসা বাঁধে। রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই বেসরকারি হাসপাতালেও রাজেশের চিকিৎসা চলতে থাকে। করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে রাজেশের একটু বেশিই সময় লেগেছিল। সবমিলিয়ে প্রায় ৮০ দিন মতো। এই সময়ের মধ্যে তাঁর চিকিৎসা বাবদ হাসপাতাল বিল ধরিয়েছিল ভারতীয় অঙ্কে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু নির্মাণ সংস্থার কর্মী রাজেশের মোটেই এত টাকা ছিল না বিল মিটিয়ে দেওয়ার মতো। তিনি নিজের অপারগতার কথা জানান।

রাজেশের আবেদনে আসরে নামেন গালফ প্রোটেকশন সোসাইটির এক আধিকারিক। তিনি ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান, রাজেশের আর্থিক সঙ্গতি তেমন নেই। তাই দেড় কোটির বিল মকুব করে দেওয়া হয়। সেই অনুরোধ মেনে রাজেশের সম্পূর্ণ চিকিৎসার খরচ মকুব করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুধু তাইই নয়, করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে আসা রাজেশকে তেলেঙ্গানার বাড়ি ফেরার জন্য বিমানের টিকিটও কেটে দেন তাঁরা। হাতে দশ হাজার টাকাও দিয়ে দেওয়া হয়, যাতায়াতের খরচ বাবদ।

[আরও পড়ুন: চাবাহার রেল প্রকল্প থেকে ভারতকে বাদ দেওয়ার খবর ভিত্তিহীন, জানাল ইরান]

এত কিছু পেয়ে আপ্লুত রাজেশ। ভাবতেই পারেননি, বিদেশ বিভুঁইয়ে, আরব-বেদুইনের দেশে এত সহায়তা পাবেন তিনি। তাঁদের দেওয়া টিকিট নিয়ে বুধবার ভোরের বিমানে হায়দরাবাদে ফিরেছেন রাজেশ। আপাতত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। ফের কাজের জন্য দুবাই ফিরবেন কি না, জানা নেই। তবে দুবাই হাসপাতালের এই মানবিকতা চিরজীবন তাঁর স্মরণে থাকবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement