Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ভারতীয় নৌবাহিনীকে পরমাণু অস্ত্রে মুড়ে দিক আমেরিকা, পরামর্শ প্রেসলারের

'ট্রাম্পের নির্দেশ পেলে আগামী সপ্তাহেই চিনে পরমাণু হামলা চালাবে আমেরিকা।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৭, ০৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৭, ০৪:২১

options
link
ভারতীয় নৌবাহিনীকে পরমাণু অস্ত্রে মুড়ে দিক আমেরিকা, পরামর্শ প্রেসলারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উচ্চাকাঙ্ক্ষী চিনকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতীয় নৌসেনাকে পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত করার পরামর্শ দিলেন প্রাক্তন মার্কিন সেনেটর ল্যারি প্রেসলার। প্রেসলার ১৯৭৯ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মার্কিন সেনেটে ডাকোটার প্রতিনিধি ছিলেন। রিপাবলিকান সেনেটর প্রেসলার বরাবরই ভারতপন্থী এবং খুবই প্রভাবশালী বলে পরিচিত।

তিনি জানান, ভারতই হল আমেরিকার প্রকৃত সামরিক ও রাজনৈতিক বন্ধু। ভারত মহাসাগর ও এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চিনের প্রাধান্য ও প্রভাব খর্ব করতে ভারতীয় নৌবাহিনীকে পরমাণু অস্ত্রে মুড়ে দিতে হবে। এই কাজটা আমেরিকাকেই করতে হবে। ভারতীয় নৌবাহিনীর যা ঘাটতি রয়েছে তা ঢেকে দিতে সাহায্য করুক মার্কিন নৌবাহিনী। ফলে এশীয়—প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় আমেরিকার স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। প্রেসলারের ব্যাখ্যা, আমেরিকার বন্ধু দেশ ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সের নৌসেনা যা পারছে না, মার্কিন বন্ধু দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ানের নৌবাহিনী যা করতে পারবে না, তা পারবে ভারতীয় এবং জাপানি নৌসেনা। কারণ এশিয়ার বৃহত্তম ও দক্ষ নৌশক্তি এখনও জাপানই। কিন্তু চিনকে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়ায় আটকাতে পারবে ভারতই। কারণ ভারত, জাপান দুই দেশই মার্কিন জোটের বিশ্বস্ত শরিক।

Advertisement

jet-web

এদিকে, চার দিন আগে চিনের বন্দর নগরী কিনদাংওয়ের ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে উড়ছিল মার্কিন গোয়েন্দা বিমান ইপি-৩ এআরআইইএস। সেই সময় ইপি-৩-এর গতিরোধ করে চিনের জে-১০ মডেলের দুটি যুদ্ধবিমান। আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র থাকে এই যুদ্ধবিমানে। সেই সময়ে একটি জে-১০ যুদ্ধবিমান মার্কিন বিমানের ৯০ মিটারের মধ্যে চলেও আসে। শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়াতে মার্কিন গোয়েন্দা বিমানটি হটে যেতে বাধ্য হয়। কিন্তু নিজের উপস্থিতি জানিয়ে মার্কিন বিমানটিকে আগাম কোনও সতর্কবার্তা পাঠায়নি চিনা যুদ্ধবিমান দু’টি। কোনও রেডিও বার্তা বা সংকেতও পাঠানো হয়নি। ফলে নিজে থেকে মার্কিন বিমানটি নিরাপদ দূরত্বে সরে না গেল সংঘর্ষ অনিবার্য ছিল। এটাই চাইছিল চিনা যুদ্ধবিমান দু’টি। এই ঘটনায় পরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় বেজিং। তারা জানায় জে-১০ যুদ্ধবিমানের পাইলটদের দক্ষতায় সংঘর্ষ এড়ানো গিয়েছে। চিনের আকাশসীমায় মার্কিন বিমানের এই মিস অ্যাডভেঞ্চার করা উচিত হয়নি। চিনের এই বিবৃতির পরেই ক্ষুব্ধ আমেরিকা জানায়, তাদের নজরদারি বিমান কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করেনি। চিনা যুদ্ধবিমান দু’টিই অন্যায়ভাবে মার্কিন গোয়েন্দা বিমানের পথ আটকেছে। এই ঘটনার জেরে উত্তেজনা রয়েছে দক্ষিণ চিন সাগর এলাকায়।

[কারগিল বিজয় দিবসেও বায়ুসেনাকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ ধানোয়ার]

উল্লেখ্য, দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে চিনের প্রকাশ্যে সংঘাত চলছেই। গত পাঁচ বছর ধরে সমুদ্রসীমা ও দ্বীপের দখলকে কেন্দ্র করে চিন-মার্কিন তরজা মাঝে মাঝেই চরম আকার নিয়েছে। দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ করার হুমকি দিয়েছে বহুবার। এরই মধ্যে ডোকলাম ইস্যুতে ভারত-চিন বিবাদ চরম আকার নেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চিন-ভারত যুদ্ধ শুরু হলে পেন্টাগন চুপ করে বসে থাকবে না। বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ, প্রচুর সাবমেরিন পাঠিয়ে ভারতকেই সবরকমভাবে সাহায্য করবে।

উল্লেখ্য, চিন বিরোধী সামরিক ও রাজনৈতিক জোটে ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে মঙ্গোলিয়া, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়াও। আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কম্যান্ডার ইন চিফ অ্যাডমিরাল স্কট সুইফ্ট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পেলে আগামী সপ্তাহেই চিনে পরমাণু হামলা চালাবে আমেরিকা। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পেলেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে যে কোনও চিনা শহর। অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া যৌথ সেনা মহড়ার পর অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনাসভায় মন্তব্য করেন মার্কিন সেনা কর্তা স্কট সুইফ্ট।

[আধার ও প্যান ‘লিঙ্ক’ নিয়ে ফের নয়া সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.