১ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বাজার ছেয়ে ফেলেছে কোভিড টেস্টের নকল কিট, আশঙ্কার কথা শোনাল ইন্টারপোল

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 23, 2020 4:00 pm|    Updated: July 23, 2020 4:00 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে দপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। কয়েকটি ভ্যাকসিন আশা জাগালেও আমজনতার কাছে তা কবে পৌঁছবে এখনও জানা নেই। এমন অবস্থায় করোনা আক্রান্তদের সুস্থ করে তুলতে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয়ই একমাত্র ভরসা। আর সেই পথে হেঁটেই বিশ্বে লাগাতার বাড়ছে কোভিড টেস্টের সংখ্যা। কিন্তু উদ্বেগ বাড়িয়ে এবার ইন্টারপোল জানিয়েছে, কোভিড টেস্টের নকল কিটে ছেয়ে গিয়েছে বাজার।

[আরও পড়ুন: বিজ্ঞাপন নয়, সংবাদপত্রের সঙ্গে বিনামূল্যে মাস্ক দিয়ে সচেতনতা প্রচার কাশ্মীরের পত্রিকার]

বুধবার ইন্টারপোল জানিয়েছে, ৭৭টি দেশে অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১৭,০০০ হাজার ভুয়ো টেস্টিং কিট। অবৈধ খাদ্য এবং পানীয়র বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে এই ভুয়ো কিটগুলি সামনে আসে। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির রিপোর্ট মোতাবেক, বাজেয়াপ্ত করা এই জাল টেস্ট কিটগুলির মূল্য হচ্ছে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা দাঁড়ায় ২৯৮ কোটি ১৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। এই জাল কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন দেশ থেকে ৪০৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত এই অভিযানগুলি চালানো হয়। ইন্টারপোলের সেক্রেটারি জেনারেল জুরগেন স্টক বলেন, “গোটা বিশ্ব যখন করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, সেসময় একটা দুষ্টচক্র কেবলমাত্র নিজেদের মুনাফার কথা ভেবে বিপজ্জনক পণ্যগুলি ছড়িয়ে দিচ্ছে।”

উল্লেখ্য, নকল টেস্ট কিটের সঙ্গে ভারতের বাজারে রমরমিয়ে বিকোচ্ছে জাল স্যানিটাইজারও। গত মাসে এক রিপোর্টে সিবিআই জানায়, বিষাক্ত মিথানল দিয়ে তৈরি নকল স্যানিটাইজার দিব্বি বিকোচ্ছে বাজারে। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কয়েকটি অসাধু সংস্থা সেগুলি তৈরি করছে। এই বিষয়ে সিবিআইকে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছে ইন্টারপোলও। আন্তর্জাতিক পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি দেশে নকল স্যানিটাইজার বাজারে চলে এসেছে। সেগুলি তৈরি করতে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হচ্ছে জা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভারতেও এহেন কার্যকলাপ চলছে। PPE বা স্যানিটাইজার বিক্রির নামে অনলাইনে ফাঁদ পেতেছে কয়েকটি অসাধু চক্র। গ্রাহকদের থেকে অনলাইনে টাকা নিয়ে সামগ্রী দিচ্ছে না তারা। তাদের দেওয়া ফোন নম্বরে ফোন করলেও কোনও জবাব মিলছে না। এই গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

[আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেই ধ্বংস হবে করোনা’, দাবি বিজেপি নেতার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement