Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
Flydubai Flight

হেডফোনেই কাবু! কীভাবে অস্ত্র পেল হামলাকারী পাইলট? কী ঘটেছিল ককপিটের ভিতর?

বুধবার সকালে ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। মাঝআকাশে আচমকাই ঘটে যায় এই ভয়ংকর ঘটনা। জানা গিয়েছে, যে তিন যাত্রী ককপিটে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা হলেন জভিকা ম্যানেস, আসাফ রাজওয়ান এবং ইয়ানিভ হায়ুন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১৯:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১৯:০৮

options
link
হেডফোনেই কাবু! কীভাবে অস্ত্র পেল হামলাকারী পাইলট? কী ঘটেছিল ককপিটের ভিতর? zoom
বুধবার ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উঁচুতে তখন উড়ছে বিমান। আচমকাই ককপিটে শুরু উত্তজেনা। সহ-পাইলটের ছুরির কোপে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। অথচ সেই অবস্থাতেও হাল ছাড়েননি তিনি। কোনও মতে ককপিটের দরজা খুলে দেন। তারপরই তিনজন যাত্রী ঝাঁপিয়ে পড়েন। হেড ফোনের তার দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে ফেলে হামলাকারীকে কাবু করেন তাঁরা।

বুধবার সকালে ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি (Flydubai Flight) দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। মাঝআকাশে আচমকাই ঘটে যায় এই ভয়ংকর ঘটনা। জানা গিয়েছে, যে তিন যাত্রী ককপিটে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা হলেন জভিকা ম্যানেস, আসাফ রাজওয়ান এবং ইয়ানিভ হায়ুন। তাঁরা প্রত্যেকেই ইজরায়েলের নাগরিক। গুরুতর আহত অবস্থায় পাইলট স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খুলতেই তাঁরা হামলাকারীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন ফ্লাই দুবাইয়ের বিমানে সেই ভয়ংকর ঘটনার পরই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, কড়া নিরাপত্তার চাদর ভেদ করে হামলাকারী ওমানি সহ-পাইলটের হাতে কীভাবে অস্ত্র এসেছিল? তদন্তকারীদের একটি সূত্রের খবর, লুকিয়ে বিমানের ভিতর অস্ত্র নিয়ে যাননি। বরং সহকর্মীকে কোপাতে উড়ানের ককপিটের ভিতরে রাখা একটি ‘ক্র্যাশ এক্স’ বা অগ্নিনির্বাপক কুঠার ব্যবহার করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ছুরি দিয়ে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে আঘাত করা হয়। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, সেটি ছুরি নয়, আদতে ছিল অগ্নিনির্বাপক কুঠার।

বিমান চলাচলের আন্তর্জাতিক বিধি অনুযায়ী, বিমান তৈরির সময়ই উড়ানে একটি ‘ক্র্যাশ এক্স’ স্থাপন করা হয়। প্রতিটি বাণিজ্যিক বিমানে এটির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। আগে কুঠারগুলি বিমানের মূল কেবিনে রাখা হত, কিন্তু ৯/১১ হামলার ঘটনার পর সেগুলি ককপিটে সরিয়ে নিয়ে নেওয়া হয়, যাতে ওই কুঠার পাইলটদের হাতের কাছেই থাকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.