Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
করোনা ভাইরাস

‘ডায়মন্ড প্রিন্সেস’-এ আরও ৪ ভারতীয়র শরীরে করোনা, চিনে মৃত ২৫৯২

অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জাহাজবন্দি বহু মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:১৪

options
link
‘ডায়মন্ড প্রিন্সেস’-এ আরও ৪ ভারতীয়র শরীরে করোনা, চিনে মৃত ২৫৯২ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে ইরান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছে নোভেল করোনা ভাইরাস। অন্যদিকে, জাপানে কোয়ারান্টাইনে রাখা ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজে আরও চার ভারতীয় যাত্রীর শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাসের জীবাণু। এই নিয়ে সব মিলিয়ে ওই জাহাজে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫০। তাঁদের মধ্যে আবার ভারতীয় ১২ জন। আপাতত ওই জাহাজে সব মিলিয়ে ১৩৮ জন ভারতীয় রয়েছেন।

দেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বাকি ১২৬ জন ভারতীয়ের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বুধবারের মধ্যে। অসুস্থদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। সম্প্রতি পরিস্থিতি সামান্য হলেও শুধরেছে বলে দাবি করেছে চিনা প্রশাসন। চিকিৎসা কর্মীদের তৎপরতায় আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে বলে দাবি তাদের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। পরিস্থিতির উন্নতি প্রমাণ করতেই রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বেজিং। তাতে দেখা যাচ্ছে, ন’মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়া সত্ত্বেও, হাসপাতালে রোগীদের সেবা করেছেন ঝাও ইউ নামের এক নার্স। যা দেখে অনেকেই চমকেছেন, তাতে সন্দেহ নেই।

Advertisement

করোনা ভাইরাসে চিনে মৃতের সংখ্যা এর মধ্যেই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৯২। আক্রান্ত ৭৬ হাজার। আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ইটালিতেও। আর এসবের মাঝে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে জাহাজবন্দি হয়ে রয়েছেন আরও এতগুলি মানুষ। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জাপানে কোয়ারান্টাইন করে রাখা হয়েছে একটি প্রমোদ তরণীকে। নাম ডায়মন্ড প্রিন্সেস। তাতে যাত্রী ও নাবিক মিলিয়ে আছেন ৩৭০০ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই দু’জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে জাহাজে। শেফদের একজন বাঙালি। তাঁর নাম বিনয় কুমার সরকার। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তাঁকে যেন নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সোনালি ঠাকুর নামে আর এক ভারতীয় কর্মীও একই আবেদন জানিয়েছেন।

টোকিওয় ভারতীয় দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখা হচ্ছে। মারণ ভাইরাস আক্রান্ত চিনকে সাহায্য করতে একটি বিশেষ বিমানে করে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম চিনে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল দিল্লি। এ-ও জানিয়েছিল, ফেরার সময়ে উহানে আটকে থাকা বাকি শ’খানেক ভারতীয়কে নিয়ে আসবে তারা। পড়শি দেশের কোনও নাগরিক ভারতের বিমানে ফিরতে চাইলে, তাঁদেরও নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু এ পর্যন্ত সবুজ সঙ্কেত দেখাল না চিন। এ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

[আরও পড়ুন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভারত সফরে আসছে ‘দ্য বিস্ট’, জেনে নিন এর বৈশিষ্ট্য]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.