Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
G7 Summit

‘মোদি শান্ত, স্থিতধী, কঠোর! আমায় নয়, ওঁকেই দেখুন’, জি-৭ পার্শ্ববৈঠকের আগেই ‘ক্ষতে প্রলেপ’ ট্রাম্পের

ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে অন্য রাষ্ট্রনেতাদের সামনেই নিজের ও প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বভাবের পার্থক্য তুলে ধরেন ট্রাম্প।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ১৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ১৯:৩৫

options
link
‘মোদি শান্ত, স্থিতধী, কঠোর! আমায় নয়, ওঁকেই দেখুন’, জি-৭ পার্শ্ববৈঠকের আগেই ‘ক্ষতে প্রলেপ’ ট্রাম্পের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকেই পার্শ্ববৈঠকে মুখোমুখি হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তার আগেই মোদিতে মজলেন ট্রাম্প। সম্মেলনের এক পর্যায়ে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দাবি করলেন, মোদি শান্ত ও স্থিতধী। তাই ট্রাম্পকে নয়, সকলের নজর থাকুক মোদির দিকেই। ট্রাম্পের এমন আকস্মিক প্রশস্তি আসলে ‘ক্ষতে প্রলেপ’ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

এদিক রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে ট্রাম্প হালকা মেজাজে নিজের ও প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বভাবের পার্থক্য তুলে ধরেন। বলেন, ”প্রধানমন্ত্রী মোদি যেমন শান্ত, স্থিতধী এবং অত্যন্ত দক্ষ ও কঠোর— আমি কিন্তু তেমন নই। ওঁর দিকেই তাকান আপনারা।” 

Advertisement

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে অন্য বিশ্বনেতাদের সাক্ষী রেখেই মোদি বললেন, “বহু ভারতীয়র প্রাণ গিয়েছে। যে নাবিকরা জলপথে বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাঁদের নিরাপত্তা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে জলপথগুলি নিরাপদ থাকছে। এবং নাবিকরা নির্ভয়ে নিজেদের কাজটা করতে পারছেন।” তাঁর এহেন বক্তব্যে স্পষ্টতই ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মোদি। এহেন পরিস্থিতিতে এবার তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিছুটা ‘ক্ষতে প্রলেপ’ দিতে চাইলেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

বলে রাখা ভালো, ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে সকলের। এদিনের বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কী কথা হবে সেটা নিয়েই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ রয়েছে। ভারতীয় পণ্যের জন্য আমেরিকা ক্রমশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার হয়ে উঠেছে। মার্কিন মুলুকের ভারতের রপ্তানি ২০০২-০৩ সালের ১০.৯ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬ সালে ৮৭.২ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। যদিও আমদানিও ৪.৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫২.৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে সেই বৃদ্ধির হার রপ্তানির সমান নয়।

এদিকে জ্বালানি ক্ষেত্রে ভারত ও আমেরিকা— উভয় দেশেরই লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উপায় যেমন খুঁজছে ওয়াশিংটন; ঠিক এমন সময়েই নয়াদিল্লি ধারাবাহিকভাবে আমেরিকার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের আমদানি বাড়িয়ে চলেছে। এহেন পরিস্থিতিতে দুই দেশের দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠক যে অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.