ইউক্রেন সফর সেরে ফেরার পর সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তাঁর মৃত্যু নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান! সম্প্রতি ইরানের সরকারি সংবাদপত্র ‘হামশাহরি’তে এক বিতর্কিত ছবি প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প। তাঁর হাতে ধরা রয়েছে সদ্য প্রয়াত সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ছবি। শিরোনামে লেখা, ‘আকস্মিক মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হন।’
সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় যে ছবি ছাপা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি খোলা কবরের সামনে গ্রাহামের ছবি হাতে হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদছেন ট্রাম্প। তাঁর ঠিক পিছনে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। এছাড়াও রয়েছে তিনজন মার্কিন ও ইজরায়েলি আধিকারিক। ছবিটির উপরে মোটা অক্ষরে মূল শিরোনামটি লেখা, “আকস্মিক মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হোন।”
আরও পড়ুন:
ইরানের সরকারি সংবাদপত্র ‘হামশাহরি’তে এক বিতর্কিত ছবি প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প। তাঁর হাতে ধরা রয়েছে সদ্য প্রয়াত সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ছবি।
উল্লেখ্য, শনিবার রাতে ওয়াশিংটনে নিজের বাসভবনে আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সী রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের। আগের দিনই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে ফিরেছিলেন। ঘরে ফেরার পরই বুকে ব্যাথা হয় তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাচানো যায়নি। তাঁর মৃত্যুতে রীতিমতো উৎসব শুরু হয়েছে ইরানে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমগুলো গ্রাহামের মৃত্যুকে প্রকাশ্যে স্বাগত জানিয়েছে। এমন একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে যেখানে একজন সঞ্চালক বলছেন, ‘যুদ্ধবাজ, উগ্র ইরান-বিরোধী আমেরিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামকে জাহান্নামে পাঠানো হয়েছে, এরজন্য আমি ইরানের জনগণকে অভিনন্দন জানাই।’ আর একটি সংবাদপত্রের হেডলাইনে লেখা হয়েছে, ‘মৃত্যুর সওদাগরের মৃত্যু।’

এদিকে ‘হামশাহরি’ সংবাদপত্রের ডিজিটাল সংস্করণে সম্প্রতি ১৩ জন বিশ্বনেতার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। যা নিয়ে গোটা বিশ্বে সাড়া পড়ে যায়। হিট লিস্টে যেসব নেতাদের নাম ছিল তাঁরা হলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। এরপর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সেখানকার প্রতিরক্ষা দপ্তরের দুই শীর্ষ আধিকারিক ইজরায়েল কাটজ ও গিডিয়ন সারের নাম ছিল। তালিকায় ছিল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মের্জ-সহ মোট ১৩ জন। তালিকায় প্রকাশিত নেতার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সরাসরি বন্দুকের নিশানায় দেখানো হয়। অন্যদের দেখানো হয় বন্দীর পোশাকে। এর ঠিক পর এই ছবি নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ইয়ামাল কাঁটায় বিদ্ধ এমবাপে, স্প্যানিশ তরুণের ডবল হ্যাটট্রিক রুখতে পারবেন ফরাসি অধিনায়ক?
-
ফের বারুইপুর, অপহরণ ও ‘ধর্ষণে’র চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক!
-
অস্ত্রোপচার ছাড়াই প্রেমিকার গোপনাঙ্গের কঠিন রোগ ধরল এআই! জনসনের দাবি আদৌ সম্ভব?
-
ট্রাম্পের গা-জোয়ারিতে আমেরিকায় ‘সঙ্গীহীন’ ওলিসে, ঝাপসা ছবিতে প্রতিবাদ ফরাসি তারকার!
-
মলদ্বীপ নয় মন্দারমণি, সাগরপাড়ে রোম্যান্স সানির! বালুকাবেলায় ‘বেবি ডল’ ম্যাজিক