Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Global Recovery

‘করোনার ধাক্কা সামলাতে লাগতে পারে ৫ বছর’, বলছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ

২০ বছরের মধ্যে এই প্রথম বিশ্বজুড়ে দারিদ্রতার হার বৃদ্ধি পাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০, ১৯:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০, ১৯:২৫

options
link
‘করোনার ধাক্কা সামলাতে লাগতে পারে ৫ বছর’, বলছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ zoom
কারমেন রেইনহার্ট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মহামারীর ফলে বিশ্ব অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছে তাকে সামাল দিতে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। বৃহস্পতিবার এই আশঙ্কার কথাই শোনালেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ কারমেন রেইনহার্ট (Carmen Reinhart)।

স্পেনের মাদ্রিদে আয়োজিত একটি বৈঠকে অংশ নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক (World Bank) -এর প্রধান অর্থনীতিবিদ রেইনহার্ট বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ নিয়ে ভয় না থাকলেও এর ফলে সৃষ্ট হওয়া আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ সামলাতে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে। করোনাকে রুখতে জারি হওয়া লকডাউন ও তার ফলে সৃষ্টি হওয়া আর্থিক মন্দার ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক দেশের অর্থনীতি। যা ঠিক করতে উন্নত দেশগুলির অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে। লকডাউনের কারণে যে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে তা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হলে অবশ্য দ্রুত পরিস্থিতির বদল হবে।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে মদত দেওয়ার অভিযোগ, মার্কিন প্রতিনিধির তাইওয়ান সফরে ক্ষুব্ধ চিন ]

তবে সব দেশের ক্ষেত্রে একই রকমের ঘটনা ঘটবে না বলেই দাবি তাঁর। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ এই মহামারীর ফলে যে আর্থিক মন্দার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা সব দেশে একসঙ্গে কোনওদিনই ঠিক হবে না। বরং এর ফলে উন্নত ও ধনী দেশগুলির সঙ্গে আর্থিকভাবে দুর্বল দেশের অনেক পার্থক্য তৈরি হবে। এই অসাম্যের ফলে ক্রমশ অনুন্নয়নের অন্ধকারে ডুবে যাবে প্রচুর দেশ। ধনীদের থেকে বেশি এর ফল ভোগ করবেন গরিব দেশগুলির মানুষ। মারণ এই ভাইরাসের কারণে গত ২০ বছরের মধ্যে প্রথম বিশ্বজুড়ে দারিদ্রতার হারও বৃদ্ধি পাবে।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মাসেই বিশ্ব ব্যাংকের তরফে জানানো হয়েছিল যে অর্থনীতির হাল ফেরাতে ভারতের ধারাবাহিকভাবে সংস্কারের পথে হাঁটা উচিত। তাহলেই আর্থিক বৃদ্ধির হার সাত শতাংশে পৌঁছে যাবে। পাশাপাশি করোনা আবহে নতুন অনেক সুযোগও তৈরি হবে।

[আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক মহলের চাপ! রোহিঙ্গা নির্যাতনের কথা স্বীকার করে তদন্তের ঘোষণা মায়ানমারের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.