BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

শ্রীলঙ্কার নতুন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষ, টুইটে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদির

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 17, 2019 2:20 pm|    Updated: November 17, 2019 2:20 pm

An Images

গোতাবায়া রাজাপক্ষ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবারই কিছুটা আভাস পাওয়া গিয়েছিল। আর রবিবার বেলা একটু বাড়তেই স্পষ্ট হয়ে গেল যে শ্রীলঙ্কার নতুন রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন গোতাবায়া রাজাপক্ষ। রবিবার এই কথা জানিয়ে দিলেন রাজাপক্ষের মুখপাত্র কহেলিয়া রম্বুকওয়েলা।

[আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় মুসলিম ভোটার ভরতি ১০০টি বাসে আগুন দুষ্কৃতীদের]

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ‘আমরা ৫৩ থেকে ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছি। এর ফলে আমাদের জয় সম্পর্কে আর কোনও সন্দেহ রইল না। সরকারি ভাবে ফল প্রকাশের পর আগামীকাল অথবা তার পরেরদিন দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন গোতাবায় রাজাপক্ষ। তাঁর জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হতেই খুব খুশি হয়েছি আমরা।’

রবিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হতে থাকে যে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাজিথ প্রেমদাসাকে হারিয়ে গোতাবায় রাজাপক্ষ শ্রীলঙ্কার নতুন রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন। এরপরই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেখেন, ‘গোতাবায়া রাজাপক্ষ, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাই। আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি। এই অঞ্চল তথা আমাদের দুটি দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

[আরও পড়ুন: ব্রিটেনের নির্বাচনে ভাগ্যপরীক্ষা বাঙালির, কনজারভেটিভদের হয়ে লড়বেন সঞ্জয় সেন]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কায় চিন ঘনিষ্ঠ পরিবার বলেই পরিচিত রাজাপক্ষ পরিবার। এর আগে ২০১৫ সালে গোতাবায়ার দাদা ও শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাহিন্দা রাজাপক্ষ যখন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তখন চিন প্রচুর টাকা ঢেলেছিল বলেও অভিযোগ। পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের কাছে ‘টারমিনেটর’ নামে পরিচিত গোতাবায়া একসময়ে শ্রীলঙ্কান সেনার প্রধান কর্তাও ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই ১০ বছরের এলটিটিই সাম্রাজ্যকে ধ্বংস করতে সমর্থ হয় শ্রীলঙ্কা। এবছরও ইস্টারের দিনে জঙ্গি হামলার পরে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। যার জেরেই দেশের বেশিরভাগ মানুষকে তাঁকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement