BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ফের রক্তাক্ত কাবুল, অভিজাত হোটেলে চার বন্দুকবাজের হামলা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 21, 2018 3:11 am|    Updated: January 21, 2018 3:22 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত কাবুল। হোটেলে চার বন্দুকবাজের হামলায় পরপর মৃত্যুর খবর। কয়েকজন বিদেশি পর্যটককে পণবন্দি করে হামলাকারীরা। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে চলে তুমুল গুলির লড়াই।

[৫ বছর পর সন্তান খোয়ানোর বিচার পেলেন তরুণী!]

ইন্টারন্যাশনাল হোটেল কমপ্লেক্সে শনিবার সন্ধ্যায় হানা দেয় বন্দুকবাজরা। আফগানিস্তানের রাজধানীতে যা অভিজাত হোটেল হিসাবে পরিচিত। পুলিশ জানায় স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক নিয়ে চার জঙ্গি হোটেলের রান্নাঘর দিয়ে ভিতরে ঢোকে। হোটেলের অতিথি, কর্মচারী ও নিরাপত্তা কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে জঙ্গিরা। একইসঙ্গে তারা গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হোটেলের একাংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরমধ্যে তারা কয়েকজন অতিথি ও কর্মীকে পণবন্দি করে ফেলে। তবে কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় নেয়নি। এমনকী হামলাকারীদের পরিচয়ও পাওয়া যায়নি। হোটেল জঙ্গিমুক্ত করতে সেনাও সেখানে দ্রুত পৌঁছে যায়। দু’পক্ষের মধ্যে রাতভর চলে গুলির লড়াই। রবিবার ভোরে কাবুল পুলিশের মুখপাত্র বসির মুজাহিদ জানান, তারা দুই জঙ্গিকে খতম করেছেন। বাকি দু’জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে। তবে এই হামলায় হতাহতর সংখ্যা নিয়ে আফগান প্রশাসনের পরস্পরবিরোধী মন্তব্য বিভ্রান্তি বাড়িয়েছে। আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ দপ্তরের মন্ত্রী নাজিব দানিশ জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান স্পষ্ট নয়। ওই দপ্তরেরই আর এক মন্ত্রী নসরত রহিমি অবশ্য বলেন বেশ কয়েকজন মারা গিয়েছেন।

AFGAN ATTACK

[রক্তাক্ত বন্ধুকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন কিশোরের, দাঁড়িয়ে দেখল পুলিশ!]

২০১১ সালেও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জঙ্গি হামলা হয়েছিল। সেবার তালিবান আত্মঘাতী হামলায় মৃত্যু হয়েছিল এগারোজনের। সেই ঘটনার পর হোটেলের নিরাপত্তা কয়েক গুন বাড়ানো হয়ে। ১৯৬০-এর দশকে কাবুলের পশ্চিম অংশে হোটেলটি তৈরি হয়েছিল। রবিবার ওই হোটেলে প্রযুক্তি বিষয়ক একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যাতে যোগ দেওয়ার জন্য অনেক অতিথি আগে থেকে ওই হোটেলে পৌঁছে যান। সাধারণত বিদেশি নাগরিকরা কাবুলে এলে এই হোটেলটিতে ওঠেন। পুলিশ মনে করেছে এই কারণে হামলকারীরা ওই হোটেলটিকে নিশানা করে। এমন কিছু যে হতে পারে তার আঁচ পেয়েছিল কাবুলের মার্কিন দূতাবাস। গত বৃহস্পতিবার আফগান প্রশাসনকে সতর্ক করে মার্কিন দূতাবাসের আধিকারিক জানিয়েছিলেন কোনও জনবহুল এলাকায় জঙ্গিরা হামলা চালাতে পারে। তার দু’দিনের মধ্যেই ঘটে গেল নাশকতা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement