Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভেড়া বলে প্যাকেটে গরুর মাংস, ক্ষতিপূরণ চাইলেন প্রবাসী হিন্দু

'গরুর মাংস খেয়ে ধর্মভ্রষ্ট।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০১৯, ০৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০১৯, ০৯:৩৮

options
link
ভেড়া বলে প্যাকেটে গরুর মাংস, ক্ষতিপূরণ চাইলেন প্রবাসী হিন্দু zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্যাকেটে লেখা ছিল ভেড়ার মাংস। তাই দোকান থেকে কিনে নিঃসঙ্কোচে সেই মাংস খেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ভারতীয় ব্যবসায়ী জসবিন্দর পাল। কিন্তু খাওয়া মাত্রই তিনি বুঝতে পারেন ভেড়া নয়, আসলে গরুর মাংস দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অজান্তে এই মাংস খাওয়ার জন্য ধর্মচ্যূত হয়েছেন তিনি। এমন দাবি করে, সুপারমার্কেট কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে প্রায়শ্চিত্তের জন্য ভারত সফরের সমস্ত খরচ আদায় করতে আদালতে গিয়েছেন জসবিন্দর।

[কর্ণাটকে চূড়ান্ত কংগ্রেস-জেডিএস আসনরফা, জোট জট অব্যাহত বিহারে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউজিল্যান্ডের ব্লেনহেম শহরের কাউন্টডাউন নামের সুপারমার্কেট থেকে ভেড়ার মাংসের প্যাকেট কিনেছিলেন জসবিন্দর। পরে তিনি বুঝতে পারেন প্যাকেটে যাই লেখা থাক, আসলে গরুর মাংস দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এরপরেই ওই দোকানের কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত চান জসবিন্দর। নিজেদের ভুল স্বীকারও করেন নেয় ওই সুপারমার্কেট। এই জন্য জসবিন্দরকে ২০০ ডলারের ভাউচার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলে তারা। কিন্তু এই সামান্য ক্ষতিপূরণের রাজি হননি জসবিন্দর। তিনি জানান, গরুর মাংস খেয়ে ধর্মভ্রষ্ট হয়েছেন তিনি। প্রায়শ্চিত্তের জন্য ভারতে যেতে হবে তাকে। এই পুরো টাকাই দিতে হবে ওই দোকানের কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু সেই দাবি মানতে রাজি হননি তারা। ফেব্রুয়ারি মাসে, ফের সেই ক্ষতিপূরণ ২০০ ডলারের ভাউচার দেওয়ার কথাই জসবিন্দরকে জানান তারা। এরপরেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন জসবিন্দর। প্রায় দু’দশক ধরে নিউজিল্যান্ডে বসবাস করেন জসবিন্দর। সেখানে ‘হেডমাস্টার বার্বারস’ নামে একটি চুল কাটার সেলুন চালান তিনি।

জসবিন্দরের বক্তব্য, “আমি জানি লোকের কাছে এটা খুব সাধারণ একটা ঘটনা বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আমার জন্য এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যের ভুলের জন্য ধর্মীয় বিধি ভাঙতে হয়েছে আমাকে। এই ভুলের জন্য ভারতের হিন্দু সমাজ আমাকে ক্ষমা করবে না।” শুদ্ধকরণের জন্য ভারত সফর করার মতো টাকা তার কাছে নেই বলে দাবি করেন তিনি। জানান, সেক্ষেত্রে তাঁকে সেলুন বিক্রি করে টাকা তুলতে হত। তাই সুপারমার্কেট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই ওই টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে চেয়েছেন তিনি। সুপারমার্কেট কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দোকানে বিভিন্ন প্যাকেট লেবেল করার মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই এমন ভুল হয়েছে। জসবিন্দরের ধর্মীয় ভাবনায় আঘাত করার জন্য ক্ষমাও চেয়েছে তারা।

[নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনের মাসখানেক আগেই রাজ্যে আধা সামরিক বাহিনী]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.