Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
হংকং

হংকংয়ে ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র, বিতর্কিত চিনা আইনে গ্রেপ্তার ধনকুবের জিমি লাই

বেছে বেছে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করছে বেজিং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২০, ১৩:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২০, ১৩:১৮

options
link
হংকংয়ে ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র, বিতর্কিত চিনা আইনে গ্রেপ্তার ধনকুবের জিমি লাই zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হংকংয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছেছে চিনের দমনপীড়ন। এবার বিতর্কিত নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গণতন্ত্রপন্থী ধনকুবের ও মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: রাধাকৃষ্ণের মন্দিরে আরতি, ভোগে লুচি-ছোলার ডাল খেলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী]

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, জিমি লাই-সহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে বিদেশী শক্তির সঙ্গে সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের মধ্যে অন্যতম মুখ জিমি লাই। বরাবরই বেজিংয়ের স্বৈরচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ‘Next Digital’ মিডিয়া সংস্থার কর্ণধার লাই। সোমবার সকালে সংস্থাটির এক শীর্ষকর্তা মার্ক সিমন টুইট করে লাইয়ের গ্রেপ্তারির খবর জানিয়েছেন। লাই পরিচালিত স্থানীয় সংবাদপত্র ‘Apple Daily’ সূত্রে খবর, এদিন ভোরে লি ও তাঁর এক ছেলে ইয়ানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। কয়েকদিন আগেই, এক সাক্ষাৎকারে লাই সাফ জানিয়েছিলেন, হংকংয়ে থেকেই তিনি গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাবেন। নয়া জাতীয় নিরপত্তা আইনে তাঁকে নিশানা করবে বেজিং বলে সেখানে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি, এদিন সেই আশঙ্কাই সত্যি হল।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত জুন মাসে আন্তর্জাতিক মঞ্চের প্রতিবাদ হেলায় উড়িয়ে হংকং নিয়ে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা বিল পাশ করে চিন। বিতর্ক উপেক্ষা করেই ‘National security legislation for Hong Kong’ শীর্ষক বিলটিতে সই করেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এর ফলে স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশটির উপর বেজিংয়ের রাশ আরও মজবুত হয়েছে। তারপরই চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে হংকংয়ের (Hong Kong) ৩০ লক্ষ বাসিন্দাকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করে ব্রিটেন। শুধু তাই নয়, সদ্য হংকংয়ের ‘চিনপন্থী’ প্রশাসক ক্যারি লাম-সহ ১০ জন উচ্চপদস্থ চিনা আধিকারিকের উপর ভ্রমণ ও আর্থিক বিষয় সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ওয়াশিংটন। হংকংয়ের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ক্ষুণ্ণ করে নিপীড়ন চালাচ্ছে বেজিং যার জেরে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া আইন লাগু করে হংকংয়ে গণতন্ত্রকমীদের বাগে আনতে চাইছে বেজিং। এবার বেছে বেছে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করবে শি জিনপিং সরকার। পাশাপাশি, এভাবেই ধীরে ধীরে হংকংয়ের বিশেষ মর্যাদাও রদ করবে চিন।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে চিনের সঙ্গে সংঘাত, হংকংয়ের প্রশাসকের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাল আমেরিকা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.