Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
রেস্তরাঁ

বিনা পয়সায় ভরপেট খাবার, জানেন কোথায় আছে এমন রেস্তরাঁ?

৫ বছরে ৮০ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করেছেন রেস্তরাঁ মালিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৯, ১৭:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৯, ১৭:২৭

options
link
বিনা পয়সায় ভরপেট খাবার, জানেন কোথায় আছে এমন রেস্তরাঁ? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সাধ থাকলেও সাধ্য হয় না। তাই অনেক ক্ষেত্রেই ইচ্ছে থাকলেও পছন্দের বিলাসবহুল রেস্তরাঁর সামনে থেকে ফিরে আসতে অনেককে। কেউ আবার কাঁচুমাচু মুখ করে রেস্তরাঁর আশেপাশে ঘুরে বেড়ান একটু খাবারের আশায়। কিন্তু অধিকাংশ সময় শুকনো মুখেই দোকানের সামনে থেকে ফিরে যেতে হয় অর্থাভাবে। এবার হদিশ মিলল এমন এক রেস্তরাঁর, যেখানে বিনামূল্যে দুঃস্থ মানুষদের জন্য মেলে ভরপেট খাবার।

[আরও পড়ুন: আপাতত কালো তালিকাভুক্ত হচ্ছে না Huawei, সিদ্ধান্ত পিছল ট্রাম্প প্রশাসন]

হোয়াইট হাউজ থেকে কয়েকটা ব্লক পেরিয়েই সাকিনা হালাল গ্রিল। চট করে দেখে আর পাঁচটা রেস্তরাঁর মতোই এটিও। কিন্তু অন্য সব রেস্তরাঁর সঙ্গে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। কারণ, একটাই। প্রয়োজনে যেকোনো মানুষকে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করা হয় এই হোটেল থেকে। জানা গিয়েছে, রেস্তরাঁর মালিক কাজি মান্নান বিগত পাঁচ বছরে প্রায় ৮০ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করেছেন। ব্যবসার শুরু থেকেই রেস্তরাঁ মালিক মান্নান বলেছেন, “যদি কারও মনে হয় পয়সা দিয়ে খেতে পারবেন না, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” ২০১৩ সালে রেস্তরাঁটির পথচলা শুরু৷ সেই থেকেই এই নীতিতেই চলছে দোকান। মান্নানের কথায় , “যদি কোনো ব্যক্তির খাবার কিনে খাওয়ার পয়সা না থাকে, তাহলে এখানে এসে বিনামূল্যে খেয়ে যেতে পারেন‌। এখানকার পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন। সকলেই এখানে একই রকমের সুযোগসুবিধা পান, তা তিনি অর্থের বিনিময়ে খাবার কিনুন অথবা বিনামূল্যে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: একই সিরিঞ্জে অনেককে ইঞ্জেকশন, এইডস ছড়ানোর অভিযোগে সিন্ধে ধৃত চিকিৎসক]

তবে এর পিছনে একটা কারণ রয়েছে। মান্নান নিজেই জানিয়েছেন, পাকিস্তানের একটি ছোট্ট গ্রামে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে বেড়ে উঠেছেন তিনি। খাবারের জন্য পথে ঘাটে ঘুরতে হয়েছে। তাই ছোট থেকে তিনি ঠিক করেছিলেন যে, বড় হয়ে মানুষকে বিনামূল্যে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন। আর এখনও সেরকম ভাবনাচিন্তা নিয়েই এগিয়ে চলেছেন তিনি। সবসময় তিনি চেষ্টা করেন যাতে প্রতি বছর অন্তত ১৬ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করতে পারেন, যাদের সত্যিই প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.