২৯ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নয়াদিল্লির কড়া বার্তার পরও যেন ক্ষান্ত হচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক মাসের মধ্যে তৃতীয়বার কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়ে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার প্রথমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পরে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে ফোনে কথা হয় ট্রাম্পের। তারপরই, তিনি দুই দেশকে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করেছেন। এবং সেই সঙ্গে জানিয়ে দেন, প্রস্তাব এলে তিনি মধ্যস্থতায় রাজি।

[আরও পড়ুন: সত্যি হল আশঙ্কা, অস্ত্র প্রতিযোগিতার ডঙ্কা বাজিয়ে মিসাইল ছুঁড়ল আমেরিকা ]

ইমরান এবং মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ভয়ানক সমস্যা চলছে। আমি আমার তরফ থেকে যতটা সম্ভব চেষ্টা করব দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করার। দুই দেশের সঙ্গেই আমাদের দারুন সম্পর্ক। কিন্তু, এই মুহূর্তে ওরা নিজেরা একে অপরের বন্ধু নয়।” শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে এ সপ্তাহের শেষে জি-সেভেন শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “এ সপ্তাহের শেষে আমি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফ্রান্সে কথা বলব। আমার মনে হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমরা সাহায্যই করছি।” ভারত অবশ্য শুরুতেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয় কোনও শক্তির মধ্যস্থতা চায় না নয়াদিল্লি। নয়াদিল্লির সাফ কথা কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তীণ বিষয়। পাক অধিকৃত কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এতে কোনও তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে দিয়েছেন, এবার আলোচনা হলে শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে হবে।

[আরও পড়ুন: বিদ্ধেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, জাকিরের ভাষণ নিষিদ্ধ করল মালয়েশিয়া]

উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মিনিট তিরিশ ফোনে কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তারপরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকেও ফোন করেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তখন ইমরানকে স্পষ্টভাবে জানান, কাশ্মীর নিয়ে শান্তি ও স্থিতি আনতে গেলে আগে উত্তেজনা কমাতে হবে। তাই চড়া সুরে আক্রমণাত্মক কথা বলা বন্ধ করতে হবে পাকিস্তানকে। সুর চড়ালেই কিন্তু শান্তি বিঘ্নিত হবে। তবে ট্রাম্প দুই দেশকেই দ্রুত আলোচনায় বসার অনুরোধ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং