৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশঙ্কা সত্যি করে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে ফের শুরু অস্ত্র প্রতিযোগিতা। তবে এবার বিপদ আরও বাড়িয়ে সমীকরণে রয়েছে চিনও। সোমবার, ক্যালিফোর্নিয়া উপকূল থেকে একটি মধ্যম পাল্লার ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে আমেরিকা। তারপরই সুর চড়িয়েছে রাশিয়া ও চিন। মার্কিন সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে সামরিক ক্ষেত্রে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হবে বলেও দুই দেশের তরফে জানানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: কীভাবে ‘জেহাদের যুবরাজ’ হামজাকে গ্রাস করল মৃত্যু, রিপোর্টে ফাঁস তথ্য

রাশিয়ার উপ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই রেবকভ জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়বে। একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চিনও। চলতি মাসেই ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্স চুক্তি বাতিল করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। দুই দেশেরই অভিযোগ, অপরপক্ষ এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। ওয়াশিংটনের তরফে আরও জানানো হয়, এই চুক্তির ফলে তারা চীনের মতো শক্তিধর দেশগুলির সঙ্গে যথাযথভাবে বোঝাপড়া করতে পারছে না। 

১৯৮৭ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ আইএনএফ চুক্তিতে সই করেন। এ চুক্তির আওতায় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ৫০০ থেকে ৫,০০০ কিলোমিটার পাল্লার সব ধরনের ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়। ‘কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস’ থেকে শুরু করে একাধিক ঘটনায় বহুবার পারমাণবিক যুদ্ধের দোরগোড়া থেকে ফিরে আসে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুই মহাশক্তির আণবিক সংঘর্ষে পৃথিবীতে প্রলয় আসা একপ্রকার নিশ্চিত ছিল। শেষমেশ বিপজ্জনক ওই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে উদ্যোগী হন রেগান ও গর্বাচেভ। পরবর্তীকালে সোভিয়েতের পতন হলেও, চুক্তিটি মেনে নেই রাশিয়া। ঐতিহাসিক চুক্তিটির কথা মাথায় রেখেই ১৯৯১ সালে প্রায় ২ হাজার ৭০০টি আণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম মিসাইল ধ্বংস করে দুই দেশ।

[আরও পড়ুন: বিদ্ধেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, জাকিরের ভাষণ নিষিদ্ধ করল মালয়েশিয়া]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং