Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Imran Khan

তোষাখানা মামলায় সস্ত্রীক ১৭ বছরের সাজা, আরও অস্বস্তিতে ইমরান খান

২০২৩ সালের ৫ আগস্ট তোষাখানা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ইমরান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:৪৮

options
link
তোষাখানা মামলায় সস্ত্রীক ১৭ বছরের সাজা, আরও অস্বস্তিতে ইমরান খান zoom
আরও অস্বস্তিতে ইমরান ও বুশরা।

তোষাখানা মামলায় পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিল এক পাক আদালত। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে জেলবন্দি ইমরান। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। এদিক সম্প্রতি ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দাবি করেছে, জেলে ভয়ংকর স্বাস্থ্য সংকটে তিনি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না তাঁর। এমনটা চলতে থাকলে চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারেন তিনি।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের থেকে পাওয়া উপহারসামগ্রী সরকারি ভান্ডার বা তোষাখানায় জমা না করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছেন ইমরান বলে অভিযোগ। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানরা যে সমস্ত উপহার দেন, সেগুলি পাক তোষাখানায় জমা হয়। এর আগেও তোষাখানার সামগ্রী বিক্রির অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছেন ইমরান। তাঁর বিরুদ্ধে এ নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন রাজনৈতিক বিরোধীরাও। এবার সেই মামলায় তিনি ও তাঁর স্ত্রীকে শোনানো হল ১৭ বছর কারাদণ্ডের সাজা।

Advertisement

শুনানি চলাকালীন আদালতে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন ইমরান। তিনি আগেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলিকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভুয়ো’ বলে দাবি করেছিলেন।

এর আগে ইমরান ও বুশরা বিবিকে পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় (বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এদিন রায়দানের সময় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইমরানের বার্ধক্য ও বুশরার নারী হওয়ার দিকটি বিবেচনা করে নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে শাস্তি কম দেওয়া হয়েছে। শুনানি চলাকালীন আদালতে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন ইমরান। তিনি আগেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলিকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভুয়ো’ বলে দাবি করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট তোষাখানা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ইমরান। প্রথমে তাঁর ঠাঁই হয়েছিল পাঞ্জাব প্রদেশের অটোক জেলে। সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে। গত ৩ বছর ধরে এই জেলেই বন্দি তিনি। কেবল ইমরান নয়, তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও হেনস্তা করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে ২০০র বেশি মামলা ঝুলছে ইমরানের বিরুদ্ধে। যদিও তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতার দাবি, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে তাঁকে গারদের ওপারে আটকে রাখা হয়েছে। এদিকে পিটিআই-এর দাবি অনুযায়ী, মেডিকেল রিপোর্টে জানা গিয়েছে ইমরান খানের ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন রয়েছে। যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর ফলে চোখের শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন যদি এই অসুখের দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে তিনি চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন। সবকিছু জানা সত্ত্বেও ইমরান খানের শারীরিক সংকট নিয়ে ছেলেখেলা করছে জেল কর্তৃপক্ষ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.