BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কাশ্মীরে ইজরায়েলী মডেল বিতর্কে এবার মুখ খুললেন ইমরান খান

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: November 29, 2019 11:10 am|    Updated: November 29, 2019 11:10 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীরে হিন্দুদের ফেরাতে ইজরায়েলী মডেল অনুসরণ করা হোক বলে মন্তব্য করেছিলেন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক সিটির ভারতীয় কনসাল জেনারেল সন্দীপ চক্রবর্তী। তারপরই দানা বাঁধে বিতর্ক। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

কনসাল জেনারেল সন্দীপ চক্রবর্তীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইমরানের তোপ, ‘এই বক্তব্য ভারতের ফ্যাসিস্ট মনোভাবের পরিচয়।’ টুইটারে ইমরান লেখেন, ‘আরএসএস মতাদর্শ প্রভাবিত ভারতের কেন্দ্র সরকার বিগত ১০০ দিন ধরে সেনা দিয়ে কাশ্মীর ঘিরে রেখেছে। উপত্যকায় মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখেও বাণিজ্যিক স্বার্থে চুপ করে রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।’ কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে গেল গেল রব তুলেছে পাকিস্তান। এবার ভারতীয় কনসাল জেনারেলের মন্তব্য ঘিরে ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে পড়শি দেশ। এদিকে, কাশ্মীর নিয়ে মুখ খুললেও, বলোচিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার দ্বারা সংঘটিত গুমখুন, ধর্ষণ, অপহরণ নিয়ে মুখ খোলেননি ইমরান। তবে তিনি না বললেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বালোচ জাতীয়তাব্দীদের আওয়াজ দমিয়ে রাখা যায়নি। তাই ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অভিযোগ বরাবরই খরজ হয়েছে বিশ্ব দরবারে।

উল্লেখ্য, কয়কডিং আগেই কনসাল জেনারেল সন্দীপ চক্রবর্তী জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুটিকে ইজরায়েল এবং প‌্যালেস্তাইনের সঙ্গে তুলনা করেন। নিউ ইয়র্ক সিটিতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের এক সভায় সন্দীপ বলেন, “কাশ্মীরিদের সংস্কৃতি আদপে হিন্দু সংস্কৃতি। আপনারা ভবিষ‌্যতে কাশ্মীরে ফিরে আসতে পারবেন। আমরা বিশ্বে নজির তৈরি করেছি। ইজরায়েল যদি পারে, আমরা কেন পারব না।” সন্দীপ এ-ও বলেন, “শ্রোতাদের মধ্যে কেউ কেউ ইহুদিদের প্রসঙ্গ তুললেন। ইজরায়েলের প্রসঙ্গ তুললেন। ওরা নিজেদের সংস্কৃতিকে নিজেদের ভূখণ্ডের বাইরেও দু’হাজার বছর ধরে টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল। আমাদেরও একই ভাবে কাশ্মীরি সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কারণ কাশ্মীরের সংস্কৃতিই ভারতের সংস্কৃতি। হিন্দু সংস্কৃতি।”

উল্লেখ্য, নয়ের দশকে কাশ্মীর থেকে কয়েক লক্ষ কাশ্মীরি পণ্ডিতদের তাড়িয়ে দেয় জঙ্গিরা। মসজিদ থেকে হিন্দুদের রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য লাগাতার হুমকি দেওয়া হয়। ধর্ষণ, গণহত্যার জেরে উপত্যকা থকে দলে দলে পালিয়ে আসে হিন্দুরা। পরিসংখ্যান মতে ১৯৯০ সালে কাশ্মীরে প্রায় ৬ লক্ষ হিন্দু ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩ হাজারে।

[আরও পড়ুন: ‘গাছ রাতে অক্সিজেন দেয়’, মন্তব্যের জেরে নেটদুনিয়ায় হাসির খোরাক ইমরান খান]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement