Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

পাকিস্তান ‘শান্তিপ্রিয় দেশ’! কাশ্মীর ইস্যুতে চাপে পড়ে বার্তা পাক সেনাপ্রধানের

তাঁর দাবি, এই শান্তির বার্তাকে যেন পাকিস্তানের দুর্বলতা বলে ধরা না হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২১, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২১, ১৫:১৪

options
link
পাকিস্তান ‘শান্তিপ্রিয় দেশ’! কাশ্মীর ইস্যুতে চাপে পড়ে বার্তা পাক সেনাপ্রধানের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu & Kashmir) নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের (Pakistan) দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করা হোক শান্তিপূর্ণ ভাবে, মর্যাদার সঙ্গে। প্রচলিত রণং দেহি মূর্তি থেকে সরে রীতিমতো ভিন্ন সুরে কথা বলতে শোনা গেল পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল জাভেদ বাজওয়াকে (General Bajwa)। পাকিস্তানকে ‘শান্তিপ্রিয় দেশ’ বলে দাবি করে তাঁর প্রস্তাব, দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ইস্যুর সমাধানে এগিয়ে আসুক দুই প্রতিবেশী দেশ।

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় পাক বায়ুসেনার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই বিষয়টি উঠে এল তাঁর মুখে। তাঁর প্রস্তাব, জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষা মেনেই বিতর্কের সমাধান করুক দুই দেশ। জেনারেল বাজওয়ার কথায়, ”পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আদর্শকে মেনে চলতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সব দিক দিয়েই শান্তির হাত বাড়ানোর সময় এসেছে। ভারত ও পাকিস্তানের অবশ্যই উচিত শান্তিপূর্ণ ভাবে মর্যাদার সঙ্গে দীর্ঘদিনের জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান করা।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে জরুরি বৈঠকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ]

সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, কেউ যেন এই শান্তির বার্তাকে পাকিস্তানের দুর্বলতা বলে ধরে নেওয়ার ভুল না করে। সব মিলিয়ে বাজওয়ার এমন বক্তব্য থেকে পরিষ্কার সুর নরম করতে চাইছে পাকিস্তান। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি করার বার্তাই দিতে চাইছেন তিনি। অবশ্য এর আগেও একসঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিতে দেখা গিয়েছে পাকিস্তানকে। কিন্তু ভারত বরাবরই জানিয়ে দিয়েছে, আলোচনা ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না। কাশ্মীর সীমান্তে নিয়মিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করার অভিযোগ রয়েছে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি পাক জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের ঘটনাও বারবার সামনে এসেছে।

এদিকে FATF-এর (ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স) ধূসর ছায়া থেকে বেরতে মরিয়া ইমরান খানের দেশ। বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের নানা পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে পরিষ্কার, বিশ্বের কাছে ভাবমূর্তি বদলাতে মরিয়া পাকিস্তান। সামনেই FATF-এর আগামী বৈঠক। তার আগেই স্বয়ং সেনাপ্রধানের ভারতের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভাবে আলোচনায় বসার প্রস্তাবকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধরা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ‘বালোচদের মিসাইল দেওয়া হোক’, পাকিস্তানকে শায়েস্তা করতে নিদান দুবাইয়ের পুলিশকর্তার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.