Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Ashley Tellis

চিনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি! আমেরিকায় গ্রেপ্তার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পরামর্শদাতা

৬৪ বছর বয়সী অ্যাশলে টেলিসের জন্ম মুম্বইয়ে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৫, ১৪:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৫, ১৪:০৭

options
link
চিনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি! আমেরিকায় গ্রেপ্তার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পরামর্শদাতা zoom
ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পরামর্শদাতা অ্যাশলে টেলিস।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আমেরিকায় গ্রেপ্তার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বিদেশনীতির পরামর্শদাতা। অ্যাশলে টেলিস নামে ওই ব্যক্তিকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (FBI)। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত তিন বছর ধরে চিনের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল ওই শীর্ষকর্তা। ‘শত্রু’র হাতে তুলে দিয়েছেন বায়ুসেনার গুরুত্বপূর্ণ সব নথি।

জানা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে টেলিসকে গ্রেপ্তার করেছিল এফবিআই। সম্প্রতি টেলসির বিরুদ্ধে তারা আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালে ওয়াশিংটনের কাছে এক রেস্তোরাঁয় চিনের আধিকারিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন। সেখানে মার্কিন বায়ুসেনা কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাচ্ছে তা ফাঁস করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ তুলে ধরে বলা হয়েছে, বৈঠকের আগে ওই রেস্তোরাঁয় বেশকিছু ফাইল নিয়ে গিয়েছিলেন টেলিস। ফেরার সময় সেগুলি আর তাঁর হাতে দেখা যায়নি। এমনকী টেলিসের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে এফবিআই “টপ সিক্রেট” এবং “সিক্রেট” লেখা ১,০০০ পৃষ্ঠারও বেশি নথিপত্র পেয়েছে। টেলিসের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরক্ষা তথ্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এফবিআই। তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে ন্যূনতম ১০ বছর জেল এবং মোটা অঙ্কের জরিমানা হতে পারে।‌

Advertisement

উল্লেখ্য, ৬৪ বছর বয়সী অ্যাশলে টেলিসের জন্ম মুম্বইয়ে। সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এরপর শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। আমেরিকায় থাকাকালীন, টেলিস ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের বিশেষ সহকারী, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সিনিয়র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নয়াদিল্লিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০ সালে ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমাণবিক চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করেন।

যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে টেলিস ট্রাম্প প্রশাসনের একজন অবৈতনিক পরামর্শদাতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে কীভাবে মার্কিন প্রশাসন একজন অবৈতনিক পরামর্শদাতার সঙ্গে গোপন নথিপত্র বিনিময় করল!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.