Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Iran

মুখেন মারিতং জগৎ! ‘উন্মাদ’ ট্রাম্পের মন পড়তে শান্তি আলোচনায় ছিলেন ইরানের মনোবিজ্ঞানীরাও

রানি কর্মকর্তাদের দাবি, আলোচনায় এই পদ্ধতি ইতিবাচক ছিল। ইরানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই ঘটনা ছিল একজন শক্তিধর মানসিক রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের আচরণের মতো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৪:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৪:৫৫

options
link
মুখেন মারিতং জগৎ! ‘উন্মাদ’ ট্রাম্পের মন পড়তে শান্তি আলোচনায় ছিলেন ইরানের মনোবিজ্ঞানীরাও zoom
ট্রাম্পের মন পড়তে শান্তি আলোচনায় ছিলেন ইরানের মনোবিজ্ঞানীরাও।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে শুরু থেকেই ‘ম্যাড ম্যান থিওরি’ ধরে চলছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুমকি-হুঁশিয়ারি এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে অনুমান করা হচ্ছিল এই বুঝি পরমাণু হামলা শুরু হবে ইরানে। সেই পরিস্থতিতে উন্মাদের মতো আচরণ করতে থাকা ট্রাম্পের মন পড়তে মনোবিজ্ঞানীদের সাহায্য নিয়েছিল ইরান। ট্রাম্পের আচরণ বিশ্লেষণ ও কৌশল নির্ধারণে এই মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।

ইরানি আধিকারিককে উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইটের তরফে এক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, যুদ্ধ থামিয়ে শান্তির লক্ষ্য গত এপ্রিল মাসে প্রথমবার পাকিস্তানে আলোচনার টেবিলে বসেছিল আমেরিকা ও ইরান। সেই সময় ট্রাম্পের মানসিক অবস্থা বুঝতে এবং মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাঁর পাঠানো বার্তা খুঁটিয়ে পরীক্ষার জন্য মনোবিজ্ঞানীদের সাহায্য নেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, শান্তি আলোচনার লক্ষ্যে যে দল গঠন করা হয়েছিল সেখানে দু’জন সিনিয়র মনোবিজ্ঞানীকে রাখা হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শীর্ষকর্তার দাবি অনুযায়ী, মনোবিজ্ঞানীদের তরফে ট্রাম্পের আচরণ পর্যালোচনার পর তাঁদের সুপারিশ মেনে আলোচনায় আমাদের বার্তায় বিপুল পরিবর্তন আনা হয়।

ওই আধিকারিকের দাবি অনুযায়ী, এপ্রিলে ইসলামাদে প্রথম দফার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর ওই বিশেষজ্ঞ দলে মনোবিজ্ঞানীদের নিযুক্ত করা হয়। সেই বৈঠকে দুই পক্ষই সমঝোতার শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করছিল। ইরানের ওই শীর্ষকর্তার দাবি অনুযায়ী, মনোবিজ্ঞানীদের তরফে ট্রাম্পের আচরণ পর্যালোচনার পর তাঁদের সুপারিশ মেনে আলোচনায় আমাদের বার্তা ও লিখিত বার্তায় বিপুল পরিবর্তন আনা হয়। দেখা যায়, এরপর থেকেই ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ায় ব্যাপক উন্নতি নজরে আসে। ধীরে ধীরে পরিস্থতি নরম হতে থাকে। এবং যুদ্ধ পেরিয়ে পরিস্থিতি শান্তির দিকে এগোয়। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, আলোচনায় এই পদ্ধতি ইতিবাচক ছিল। ইরানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই ঘটনা ছিল একজন শক্তিধর মানসিক রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের আচরণের মতো। দাবি অনুযায়ী, আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী কয়েকটি দেশও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ও অবস্থানের ধারাবাহিকতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সেই তালিকায় ছিল কাতার ও তুরস্ক।

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধে আমেরিকার নীতি ছিল ‘ম্যাড ম্যান থিওরি’। বিশ্বের ইতিহাসে এই তত্ত্বের কথা প্রথম সামনে এসেছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এই তত্ত্বের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছিলেন, শত্রুকে লাগাতার ভয় দেখাতে হবে। প্রয়োজনে পরমাণু হামলার হুমকি দিতে হবে। বিশ্বের সামনে নিজেকে একজন ‘উন্মাদ’ হিসেবে তুলে ধরতে হবে। যাতে শত্রু মনে করে এই ব্যক্তি যা খুশি করে বসতে পারে। এভাবে শত্রুর বুকে সফলভাবে ভয় ধরিয়ে দিতে পারলেই কাবু হবে শত্রু। হুমকি হুঁশিয়ারির মাধ্যমে ঠিক সেটাই করছিলেন ট্রাম্প। যদিও শেষ পর্যন্ত শান্তির পথে হাঁটতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৯ জুন সুইৎজারল্যান্ডে প্রাথমিকভাবে চুক্তি সই করবে আমেরিকা ও ইরান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.