Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
Iran War

হরমুজের নিচে ‘ঘুমন্ত দানব’, প্রণালী খুললেই ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ! শঙ্কিত বিশ্ব

ভারতীয় সময় শনিবার রাতে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, রবিবারই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করবে আমেরিকা। এর ফলে বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান জলপথ হরমুজ খুলে যাবে। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ১৫:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬, ১৫:৩৪

options
link
হরমুজের নিচে ‘ঘুমন্ত দানব’, প্রণালী খুললেই ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ! শঙ্কিত বিশ্ব zoom
হরমুজ প্রণালীর নিচে ‘ঘুমন্ত দানব’। ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।

বারুদের গন্ধ পেরিয়ে অবশেষে শান্তির ‘বৃষ্টি’ ঝরবে মধ্যপ্রাচ্যে? খুলতে চলেছে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী? শনিবার সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প।কিন্তু তারপরও কাটছে না আশঙ্কার মেঘ। কারণ, হরমুজের নিচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক ‘ঘুমন্ত দানব’। প্রণালী খুললেই চলতে পারে ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ!

ব্যাপারটা ঠিক কী? ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলার পরই অস্থির হয়ে ওঠে বিশ্ব। পালটা জবাব দিতে হরমুজ বন্ধ করে দেয় তেহরান। শুধু তাই নয়, জলপথে বিছিয়ে দেয় অসংখ্য মাইন বা বোমা। এখনও সেগুলি সরানো হয়নি। বর্তমানে হরমুজের একটি নির্দিষ্ট পথেই জাহাজ চলাচল করছে। কিন্তু প্রণালীর বাকি অংশে এখনও রয়েছে বিপদ। ওই অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যিক জাহাজ প্রবেশ করলে নিমেষেই সেগুলি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আমেরিকার এক সংবাদমাধ্যম মার্কিন কর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, আপাতত লক্ষ্য হল ইরানের সঙ্গে দ্রুত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করা এবং হরমুজকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। প্রণালীতে যে মাইনগুলি রয়েছে সেগুলি পরে সরানো হবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই জলপথ থেকে মাইন সরানো না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। তাই হরমুজ খুললেও ‘কাঁটা’ হয়ে দাঁড়াবে প্রণালীর ‘ঘুমন্ত দানব’গুলি। উল্লেখ্য, ভারতীয় সময় শনিবার রাতে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, রবিবারই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করবে আমেরিকা। এর ফলে বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান জলপথ হরমুজ খুলে যাবে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি হলেও রাতরাতি হরমুজে বিছিয়ে রাখা মাইনগুলি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব নয়। বহুদিন ধরেই আমেরিকা সেই সেষ্টায় রয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তারা সাফল্য লাভ করেনি। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’কে আমেরিকার আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, জলে মাইন পাততে এবং তা সরিয়ে নিতে যে কৌশল এবং দক্ষতার প্রয়োজন, তা ইরানের নেই। এছাড়াও এলোমেলো ভাবে মাইন পোঁতা এবং তা পোঁতার সময় রেকর্ড না রাখায় সমস্যা বেড়েছে। মনে করা হচ্ছ, জলের স্রোতের কারণে সেগুলি পূর্বের অবস্থান থেকে সরে গিয়েছে। মার্কিন আধিকারিকদের দাবি, বিপজ্জনক মাইনগুলি নজরে রাখার কোনও ব্যবস্থাই রাখেনি ইরান। সব মিলিয়ে হরমুজকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.