Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Isarel

‘চুপ করে থাকো’, রাষ্ট্রসংঘের মহিলা প্রতিনিধিকে অপমান, নিজেকে ‘মালিক’ বলল ইজরায়েল

রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে রীতিমতো 'কলতলার ঝগড়া' বেধে গেল। ইজরায়েলি প্রতিনিধির সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রতিনিধি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৬, ১১:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৬, ১১:৪০

options
link
‘চুপ করে থাকো’, রাষ্ট্রসংঘের মহিলা প্রতিনিধিকে অপমান, নিজেকে ‘মালিক’ বলল ইজরায়েল zoom
তর্কাতর্কির সূত্রপাত রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্ট থেকে।
Advertisement

রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে রীতিমতো ‘কলতলার ঝগড়া’ বেধে গেল। ইজরায়েলি প্রতিনিধির সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রতিনিধি। ভরা সম্মেলনে ইজরায়েলের প্রতিনিধি একেবারে ব্যক্তিগত আক্রমণ শানালেন। কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন, মুখ বন্ধ করে থাকুন নয়তো বেরিয়ে যান। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে এহেন আচরণে মুখ পুড়েছে ইজরায়েলেরই। গোটা বিষয়টি নিয়ে তেল আভিভের পক্ষ থেকেও কিছু বলা হয়নি।

তর্কাতর্কির সূত্রপাত রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্ট থেকে। গুতেরেসের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমীলা পাটেনকে বরখাস্ত করার দাবি তোলেন রাষ্ট্রসংঘে ইজরায়েলের প্রতিনিধি ড্যানি ডানন। কারণ প্রমীলার রিপোর্টে বলা হয়েছিল, যুদ্ধের সময়ে লাগাতার যৌন নির্যাতন চালিয়েছে ইজরায়েল। সেই অপরাধেই ইজরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করা উচিত। এহেন রিপোর্ট একেবারেই সহ্য করতে পারেনি ইজরায়েল। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ড্যানি বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব ইচ্ছাকৃতভাবে ইজরায়েলকে নিশানা করেন। তাঁর চাপে পড়েই এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।”

Advertisement

এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন গুতেরেসের প্রতিনিধি ভ্যানেসা ফ্রেজিয়ার। তিনি সাফ জানান, ইজরায়েলি প্রতিনিধি ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন। নানা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের মাধ্যমে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। সেকথা শুনে ড্যানি নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করে বসেন। বলেন, “আমরা রাষ্ট্রসংঘের সদস্য, আর আপনি এখানে কাজ করেন। তাই আপনি একদম মুখ বন্ধ করে রাখবেন। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলতে দেব না আমি। আগে নিজের কথা শেষ করব। আপনি যদি চুপ করে না শোনেন তাহলে বেরিয়ে যান।” গোটা ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

উল্লেখ্য, ইজরায়েলের জেল থেকে মুক্তি পাওয়া বেশ কয়েকজন বন্দির অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বন্দিরা বলেছেন, অকথ্য নির্যাতনের পাশাপাশি জেলে বন্দিদের যৌন নির্যাতন এমনকী ধর্ষণ করত ইজরায়েলের সেনা আধিকারিক ও মহিলা নিরাপত্তারক্ষীরা! ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এই নির্যাতন বহুগুণ বেড়ে যায়। এহেন তথ্যের উপর ভিত্তি করেই ‘ইজরায়েলবিরোধী’ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘ। কিন্তু সেই রিপোর্টকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাগিয়ে দিয়েছে তেল আভিভ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.