Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Khamenei

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ৩৭ বছরের প্রথা ভাঙলেন খামেনেই! কোথায় গেলেন ইরানের ধর্মীয় নেতা?

ইরান-আমেরিকার মধ্যে টানাপড়েনকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। এমতাবস্থায় ৩৭ বছরের পুরনো প্রথা ভাঙলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৪:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৪:১৮

options
link
মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ৩৭ বছরের প্রথা ভাঙলেন খামেনেই! কোথায় গেলেন ইরানের ধর্মীয় নেতা? zoom
ফাইল ছবি।

ইরান-আমেরিকার মধ্যে টানাপড়েনকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। এমতাবস্থায় ৩৭ বছরের পুরনো প্রথা ভাঙলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা!

ইরানে ইসলামি শাসন কায়েম হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি বায়ুসেনার কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। এই প্রথা শুরু করেছিলেন তৎকালীন ধর্মীয় নেতা খোমেনেই। পরে তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে তা চালিয়ে যান খামেনেইও। কোভিড পরিস্থিতিতেও এই প্রথা ভাঙা হইনি।

Advertisement

আব্বাস জানিয়েছেন, সমঝোতা-বৈঠক এবং মার্কিন সেনার আনাগোনা নিয়ে চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গে তেহরানের কথাবার্তা চলছে। এই দুই দেশকে ইরানের ‘কৌশলগত বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেছেন বিদেশমন্ত্রী।

১৯৭৯ সালে ইরানে গণবিপ্লবের সময় পাহলভি রাজতন্ত্রকে ক্ষমতাচ্যুত করার অঙ্গীকার নিয়েই তৎকালীন ধর্মীয় নেতা খোমেনেইয়ের সঙ্গে ৮ ফেব্রুয়ারি বৈঠক করেছিলেন বায়ুসেনার কমান্ডারেরা। তার পর থেকেই এই বৈঠক প্রথায় পরিণত হয়েছে তেহরানে। তবে এ বছরও বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেই বৈঠকে খামেনেইয়ের পরিবর্তে ছিলেন সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ আব্দলরহিম মৌসভি। এতেই প্রশ্ন উঠছে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বর্তমানে কোথায় রয়েছেন?

প্রসঙ্গত, রবিবার ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সেখানেই আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক সমঝোতা-বৈঠক এবং তেহরানের পরমাণু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। আব্বাস জানান, ওমানে আয়োজিত পরোক্ষ সমঝোতা-বৈঠক চলছে বটে, কিন্তু তাকে আমেরিকা আদৌ খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন না। তাই ইরানের পরমাণু পরিকল্পনা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সমঝোতার প্রশ্নই ওঠে না।

আব্বাস বলেন, “আমরা কেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণের উপর এত জোর দিচ্ছি? কেন কিছুতেই হাল ছাড়ছি না? যুদ্ধের হুঁশিয়ারিতেও কেন টলছি না? কারণ, আমরা কী করব, সেটা ঠিক করে দেওয়ার অধিকার অন্য কারও নেই। পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে আমেরিকার সেনা মোতায়েনে আমরা একেবারেই ভয় পাই না।’’ আমেরিকার মোকাবিলার জন্য কাদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে ইরান? আব্বাস জানিয়েছেন, সমঝোতা-বৈঠক এবং মার্কিন সেনার আনাগোনা নিয়ে চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গে তেহরানের কথাবার্তা চলছে। এই দুই দেশকে ইরানের ‘কৌশলগত বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেছেন বিদেশমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.