Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Myanmar

চরম সংকটে দেশের অর্থনীতি, চাপের মুখে সত্যি স্বীকার করলেন একনায়ক কিম

ওয়ার্কার্স পার্টির শাখা সচিবদের বৈঠকে মন্দা নিয়ে আলোচনা কিমের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২১, ১৪:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২১, ১৪:২০

options
link
চরম সংকটে দেশের অর্থনীতি, চাপের মুখে সত্যি স্বীকার করলেন একনায়ক কিম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) মহামারীর মারে ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন আংশিক সফল হলেও প্রবল ধাক্কা খেয়েছে প্রায় সবক’টি দেশের অর্থনীতি। একইভাবে মহামারী আবহে মন্দার মারে ধুঁকছে উত্তর কোরিয়া (North Korea)। এতদিন সত্য গোপন করলেও এবার বাস্তব মেনে নিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যে ভাল নয় তা স্বীকার করে নিলেন একনায়ক কিম জং উন।

[আরও পড়ুন: রাফালে চুক্তি: কোটি টাকার বিনিময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের নথি ফাঁস! দাবি ফরাসি সংবাদমাধ্যমের]

করোনা সংক্রমণ রুখতে অন্যান্য দেশের মতোই উত্তর কোরিয়াতেও লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিলেন শাসক কিম জং উন। এতে সংক্রমণের গতি কিছুটা শ্লথ হলেও দেশের আর্থিক বৃদ্ধি একবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। দেশটিতে দেখা দিয়েছে চরম অর্থ ও খাদ্য সংকট। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এবার আর বাস্তবকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেন না কিম। বৃহস্পতিবার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির শাখা সচিবদের বৈঠকে নিজের মুখে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছেন কিম। বলেছেন, ‘‘দেশ এখন সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।’’ কী ভাবে এই অবস্থা থেকে উত্তর কোরিয়াকে টেনে তোলা যায়, দলীয় কর্মীদের সঙ্গে তা নিয়ে আলোচনাও করেছেন তিনি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝিয়ে দেশের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে ১৯৯০ সালের দুর্ভিক্ষের তুলনা টেনে আনলেন কিম। বলে রাখা ভাল, প্রধান সহযোগী সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার জেরে নয়ের দশকে উত্তর কোরিয়ায় ভয়াবহ খাদ্য সংকট দেখা দেয়। সেবারে মৃত্যু হয়েছিল কয়েক হাজার মানুষের।

Advertisement

এদিকে, দেশের মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে না পারলেও আণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কিমের দেশ। শুধু তাই নয়, আণবিক ক্ষেপণাস্ত্রকে কূটনীতির অমোঘ হাতিয়ার হিসেবে বহুদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছেন কিম। উত্তর কোরিয়া (North Korea) যাতে আর পরমাণু অস্ত্র না বানায়, সেজন্য তাদের অনুরোধ করেছিল আমেরিকা। গতবছর হ্যানয়ে দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেই বৈঠক ব্যর্থ হয়। আমেরিকা তার পরেও কূটনৈতিক পথে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। এবার নয়া মিসাইল প্রদর্শন করে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার মঞ্চে নিজের অবস্থান মজবুত করার চেষ্টা করছেন কৌশলী কিম বলেই ধারণা।

[আরও পড়ুন: কাশী বিশ্বনাথ না জ্ঞানবাপী মসজিদ? উত্তর খুঁজতে পুরাতাত্ত্বিক সার্ভের নির্দেশ কোর্টের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.