BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মাইকেলের জন্মদিন পালিত বাংলাদেশে, মধুমেলায় উপচে পড়া ভিড়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 25, 2018 10:27 am|    Updated: January 25, 2018 10:27 am

An Images

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জুড়ে সাড়ম্বরে পালিত হল মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী। এই উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সেজে উঠল ‘মধুকবি’র জন্মস্থান যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রাম। ১৮২৪ সালে এখানেই জন্মগ্রহণ করেন মাইকেল।

[বাংলাদেশে রেডিওতে ‘বাংরেজি’ বন্ধের নির্দেশ, আমরাও কি পারি না?]

মহাকবির জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, মাইকেল অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগ আগামী প্রজন্মের জন্য দেশপ্রেমের চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। কালজয়ী এ সাহিত্যিকের লেখনীতে ফুটে উঠেছে বাঙালির জাত্যাভিমান ও স্বাধীনচেতা মনোভাব। বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কবির জন্মভিটে সাগরদাঁড়িতে ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। শুক্রবার, মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে মধুসূদন পদক প্রদান করা হবে। ১৯৭৩ সাল থেকেই মাইকেলের জন্মদিন পালনে মধুমেলার আয়োজন করা হয়। মেলা শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ সাগরদাঁড়িতে আসছেন। তাই সেখানে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র‌্যাব-সহ শতাধিক নিরাপত্তাকর্মী।

রাজনারায়ণ দত্ত ও জাহ্নবী দেবীর সন্তান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। শৈশবে সাগরদাঁড়ির পাশে শেখপুরা গ্রামের মৌলবি খন্দকার মখমল সাহেবের কাছে বাংলা ও ফারসি শিক্ষা লাভ করেন তিনি। ১৮৩৩ সালে সাগরদাঁড়ি ছেড়ে কলকাতার খিদিরপুর যান। সেখানে লালবাজার গ্রামার স্কুলে ইংরেজি, ল্যাটিন ও হিব্রু ভাষার শিক্ষা নেন। কবি ১৮৩৭ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। ১৮৪২ সালে ইংরেজিতে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ‘স্ত্রীশিক্ষা’ বিষয়ে প্রবন্ধ লিখে কলেজ থেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন। তার পরের বছরই হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন কবি। একইসঙ্গে পিতৃগৃহ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নেন তিনি। ১৮৫৮ সালে ‘শর্মিষ্ঠা নাটক’ লিখে বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ও নাট্যান্দোলনে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ১৮৬০ সালে ‘পদ্মাবতী নাটক’ প্রকাশ হয়। মে মাসে বাংলা ভাষায় প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ প্রকাশ হয়। এবছরই তিনি মহাকাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। ১৮৬১ সালে জানুয়ারিতে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়।

[প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ছাড়পত্র, এবার ওয়াঘার মতো ফুলবাড়িতেও ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement