Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নেপালি পুলিশ

চিনের নির্দেশ! উত্তরাখণ্ড সীমান্তে ভারতীয় জওয়ানদের উপরে নজরদারি নেপালি পুলিশের

ওই এলাকায় সেনার সংখ্যা বাড়াচ্ছে শি জিনপিংয়ের সরকারও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২০, ২০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২০, ২০:৪৬

options
link
চিনের নির্দেশ! উত্তরাখণ্ড সীমান্তে ভারতীয় জওয়ানদের উপরে নজরদারি নেপালি পুলিশের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরাখণ্ড থেকে মানস সরোবর পর্যন্ত রাস্তা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত সরকার। তারপর থেকে নেপালের সঙ্গে বিবাদের সূত্রপাত হয়। এবার উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ এলাকার কালাপানি উপত্যকায় কর্তব্যরত ভারতীয় সেনা জওয়ানদের উপর নজরদারি শুরু করল নেপাল। চিনের নির্দেশেই কেপি শর্মা ওলির সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

নেপালের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে কেপি শর্মা ওলি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে নেপাল আর্মড পুলিশ ফোর্স ((NAPF) -এর কাছে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তরাখণ্ডের কালাপানি উপত্যকায় থাকা ভারত, চিন ও নেপালের সীমান্তে আরও পুলিশকর্মী মোতায়েন করতে হবে। তারা সেখানে কর্তব্যরত ভারতীয় সেনা জওয়ানদের উপর নজরদারি চালাবে। এরপরই লিপুলেখ সীমান্তে নেপাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের ৪৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নকে মোতায়েন করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ WHO’র নেতৃত্ব মানতে নারাজ আমেরিকা ]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষ হওয়ার পর থেকেই লিপুলেখ (Lipulekh) সীমান্তের ওপারে সেনা মোতায়েন করতে শুরু করেছে চিন। তিনটি দেশের সীমান্তে ১৫০ লাইট কম্বাইন্ড আর্মস ব্রিগেডকে দায়িত্ব দিয়েছিল। এমনকী গত জুলাই মাসে সীমান্ত থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পালা এলাকায় প্রথমে একটি পোস্ট তৈরি করে হাজার সেনা মোতায়েন করে চিন। পরে আরও ২ হাজার সেনা বাড়ানো হয়।

[আরও পড়ুন: আণবিক হাতিয়ারের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে চলেছে চিন, সতর্কবার্তা আমেরিকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.