BREAKING NEWS

২৩ আষাঢ়  ১৪২৭  বুধবার ৮ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

প্রথম পাতায় শুধু মৃতদের নাম, করোনা রুখতে আমেরিকার ব্যর্থতার দলিল ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’

Published by: Paramita Paul |    Posted: May 24, 2020 5:01 pm|    Updated: May 24, 2020 6:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার দাপটে ছারখার আমেরিকা। লাশের পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে মার্কিন মুলুক। ইতিমধ্যে মৃতের সংখ্যা এক লক্ষ ছুঁইছুঁই। রবিবার সেই মৃতদের সম্মান জানাল  নিউ ইয়র্ক টাইমস। আর এই মৃতদের  মধ্যে  হাজার জনের নাম সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় তুলে ধরল নিউ ইয়র্ক টাইমস। সেইসঙ্গে তাঁদের উদ্দেশে এক লাইন করে স্মৃতিকথাও লেখা রইল সেখানে। তাঁদের এই ভূমিকাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন দেশের মানুষ।

বিশ্বজুড়ে মহামারির আকার নিয়েছে করোনা ভাইরাস। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আমেরিকার। বিশ্বে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় আপাতত শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। আমেরিকায় এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯৮,৬৮৩ জনের। অর্থাৎ এই দেশে মৃতের সংখ্যা এক লক্ষ ছোঁয়া সময়ের অপেক্ষামাত্র। আর এই গোটাটাই হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যর্থতার জন্য বলে সে দেশের বাসিন্দাদের অভিযোগ। আমজনতা থেকে প্রশাসনিক কর্তারা, সকলেই একযোগে এই অভিযোগ করছেন। এবার পরোক্ষভাবে ট্রাম্পকে কটাক্ষ করল সংবাদমাধ্যমও।

[আরও পড়ুন : আশঙ্কাই সত্যি, রাশিয়াকে ছাপিয়ে বিশ্বে করোনা সংক্রমণের নতুন কেন্দ্রস্থল ব্রাজিল]

রবিবার নিউ ইয়র্ক টাইমস সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় হাজার জন মৃতের নাম দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁদের প্রত্যেকের উদ্দেশে এক লাইনের স্মৃতিচারণ করা হয়েছে। প্রথম পাতার শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা এক লক্ষের কাছে। এ এক বেহিসেবি ক্ষতি’। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন গ্র্যামি পুরস্কার প্রাপক জো ডিফি, তেমনই রয়েছেন হাভার্ড ল স্কুল থেকে নিউ ইয়র্কের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা স্নাতক লাইলা এ ফেনউইক। আবার এই তালিকায় রয়েছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। এ প্রসঙ্গে নিউ ইয়র্ক টাইমসের ন্যাশনাল এডিটর মার্ক ল্যাসি জানিয়েছেন, “এই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে আমেরিকায় মৃতদের মাত্র এক শতাংশ। আমি এমন একটা কিছু করতে চেয়েছিলাম যা ১০০ বছর পরেও মানুষের মনে দাগ কাটবে। যা দেখে তখনও মানুষ বুঝতে পারবে এই সময়ে কতটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা গিয়েছিলাম।” সত্যি এক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। সেই সময়ের এক জ্বলন্ত দলিল হয়ে রইল নিউ ইয়র্ক টাইমসের রবিবারের সংস্করণ।

[আরও পড়ুন : ‘মুসলিম বিদ্বেষ এবং অসহিষ্ণুতা রুখতে আমরা বদ্ধপরিকর’, ঘোষণা রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement