BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  বৃহস্পতিবার ২ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ক্ষমতা দখলের চেষ্টা! ছোট বোনকে কি খুন করেছেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম?

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: September 1, 2020 9:40 pm|    Updated: September 1, 2020 9:40 pm

North Korea dictator Kim Jong Un murdered sister!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতা পিপাসু ও অত্যন্ত নৃশংস বলে দুর্নাম রয়েছে উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের। ক্ষমতার রাশ হাতে রাখতে নিজের সৎ ভাইকে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে হত্যা করিয়েছেন কিম বলে অভিযোগ। এবার তাঁর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে ‘ক্ষমতা দখলের’ চেষ্টা করার অভিযোগে নিজের বোনকেও খুন করিয়েছেন কিম বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

[আরও পড়ুন: সন্ত্রাসের ৫ বছর পর ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ‘শার্লি এবদো’, ফের প্রকাশিত হবে হজরত মহম্মদের কার্টুন]

একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, গত ২৭ জুলাই শেষবার প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল কিম জং উনের বোন কিম জং ইয়োকে। তারপর থেকেই আর তাঁর দেখা মেলেনি। অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে ‘ক্ষমতা দখলের’ অভিযোগে ইয়োকে হত্যা করিয়েছেন কিম। যদিও বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভাইয়ের থেকে ক্ষমতা হস্তান্তর জল্পনার জেরেই আপাতত প্রকাশ্যে আসছেন না কিম জং ইয়ো। উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের পর, সে দেশের শাসন ব্যবস্থায় ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ ধরা হয় তাঁর বোনকে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই কিম জং উন কোমায় আছন্ন রয়েছেন বলে খবর ছড়ায়। সেই সময় দেশের শাসনভার তাঁর বোন ইয়ো সামলাচ্ছিলেন বলেও দাবি করেন দক্ষিণ কোরিয়ার একাধিক কুটনীতিবিদ। শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে দক্ষিণ কোরিয়ার অভিজ্ঞ কুটনীতিবিদ চাং সং-মিন বলেন, “উত্তর কোরিয়ার কোনও নেতা স্বেচ্ছায় শাসনের রাশ অন্যের হাতে তুলে দেবেন না। যদিও না তিনি গুরুতর অসুস্থ হন বা সেন বিদ্রোহের দ্বারা ক্ষমতাচ্যুত হন। আমার মনে হয় কিম কোমায় আচ্ছন্ন। তবে এখনও তাঁর মৃত্যু হয়নি।”

কিন্তু সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছেন কিম। তিনি যে বহাল তবিয়তে আছেন তা ফের স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। এদিকে, এদিকে, পারিবারিক ধারা মেনেই কিম জং ইয়ো সম্পর্কে বেশি তথ্য জানা যায় না। তবে কিমের অসুস্থতার খবরের পর থেকেই ধোঁয়াশার পিছনে থাকা ৩৩ বছরের এই তরুণীই আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন। ২০১৮ সাল থেকেই উল্কাবেগে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন কিম জং ইয়ো। দাদা কিমের পরে বোন ইয়ো-এর হাতেই উত্তর কোরিয়ার শাসনভার যাবে বলে দাবি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে দাদা কিমের ‘চিফ অব স্টাফ’ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন কিম জং ইয়ো। এছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোরিয়ার কিমের মিত্রতা স্থাপনের চেষ্টাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বোনের।

[আরও পড়ুন: ২০২২ বিশ্বকাপের আগেই বদলাচ্ছে কাতারের শ্রম আইন, উপকৃত হবেন লক্ষ লক্ষ ভারতীয় শ্রমিক]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে