Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Economics Nobel

সৃজনশীল ধ্বংসমন্ত্র! স্থায়ী উন্নয়নে নয়া দিশা দেখিয়ে অর্থনীতিতে নোবেল ত্রয়ীর

পুরস্কৃত তিন বিজ্ঞানী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১৬:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১৬:৫৮

options
link
সৃজনশীল ধ্বংসমন্ত্র! স্থায়ী উন্নয়নে নয়া দিশা দেখিয়ে অর্থনীতিতে নোবেল ত্রয়ীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘোষিত অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার। স্থায়ী উন্নয়নে নয়া দিশা দেখিয়ে তথা সৃজনশীল ধ্বংসমন্ত্র বা ‘ক্রিয়েটিভ ডেসট্রাকশন’-এর পন্থা বাতলে পুরস্কৃত হলেন জোয়েল মোকির, ফিলিপ আঘিওন এবং পিটার হোউইত। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, যুগের দাবি মেনে সৃজনশীল অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য সম্মানিত হয়েছেন তিন অর্থনীতিবিদ। মূলত প্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবন কী ভাবে অর্থনৈতিক বিকাশে সহায়ক হতে পারে তার দিশা দেখিয়েই তিন গবেষক অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন।

প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে কাজে লাগিয়ে স্থায়ী উন্নয়নের শর্তগুলি চিহ্নিত করার জন্য পুরস্কার মূল্যের অর্ধেক পাবেন জোয়েল মোকির। সৃজনশীল ধ্বংসমন্ত্রে অর্থনীতিতে নয়া দিশা দেখানোয় পুরস্কার মূল্যের বাকি অংশ পাবেন ফিলিপ আঘিওন এবং পিটার হোউইত। উল্লেখ্য, জোয়েল মোকির ঐতিহাসিক উৎসগুলিকে স্থায়ী বৃদ্ধির উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন। অন্যদিকে ১৯৯২ সালে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন ফিলিপ আঘিওন এবং পিটার হোউইত। তাঁরা একটি গণনা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যাকে বলা হচ্ছে সৃজনশীল ধ্বংস: যখন একটি নতুন এবং আধুনিক পণ্য বাজারে আসে, তখন পুরনো পণ্য বিক্রয়কারী কোম্পানিগুলি লোকসানের সম্মুখীন হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জোয়েল মোকির নেদারল্যান্ডের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ফিলিপ আঘিওন প্যারিসের কলেজ ডি ফ্রান্স এবং ইনসিডের অধ্যাপক। তিনি লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এবং পলিটিক্যাল সায়েন্সের সঙ্গেও যুক্ত। অন্যদিকে পিটার হোউইত আমেরিকার ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। উল্লেখ্য, গত বছরও তিন অর্থনীতিবিদ পুরস্কৃত হয়েছিলেন। তাঁরা হলেন ড্যারন এসেমোগলু, সাইমন জনসন এবং জেমস এ. রবিনসন। তাঁদের গবেষণা ব্যাখ্যা দিয়েছিল কেন বিশ্বের কিছু দেশ ধনী এবং কিছু দেশ দরিদ্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.