Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রসংঘ করোনা

‘একমাত্র করোনার প্রতিষেধকই পারে বিশ্বকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে’, আশঙ্কা রাষ্ট্রসংঘের

টিকা আবিস্কারের সময়সীমা বেঁধে দিলেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২০, ০৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২০, ০৯:৩৪

options
link
‘একমাত্র করোনার প্রতিষেধকই পারে বিশ্বকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে’, আশঙ্কা রাষ্ট্রসংঘের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস মহামারি রোখার এবং বিশ্বকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর একমাত্র উপায় এর প্রতিষেধক আবিষ্কার। করোনার টিকা আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পৃথিবীকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানো যাবে না। এমনটাই আশঙ্কা করছে রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস (Antonio Guterres) বলছেন, একমাত্র টিকা আবিষ্কার হলেই রোখা যাবে এই অতিমারি। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে বিশ্ব।

Corona-Test

Advertisement

বুধবার আফ্রিকার ৫০টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে করোনা নিয়ে আলোচনা করছিলেন রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) মহাসচিব। সেখানে তিনি বলেন, “মানুষের জন্য পুরোপুরি সুরক্ষিত ও নিরাপদ কোনও প্রতিষেধকই পৃথিবীকে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে পারবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচবে, আর হাজার হাজার কোটি অর্থ বাঁচবে।” রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব বলছেন, করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে জিততে হলে বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রনেতা, শিল্পপতিদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। গবেষণার জন্য তহবিল গড়তে হবে। ২০২০ সালের মধ্যে যদি এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করা যায়, তবেই মহামারি এবং আর্থিক ক্ষতি থেকে বিশ্বকে বাঁচানো যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: তাড়াহুড়ো নয়! লকডাউন তোলার গাইডলাইন তৈরি করে দিল WHO]

উল্লেখ্য করোনা আতঙ্কের জেরে বিশ্বের বহু দেশে সম্পূর্ণরুপে লকডাউন চলছে। বন্ধ আন্তর্জাতিক সীমান্ত। আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ, ব্যবসা বাণিজ্যেও হাড়ির হাল। রাষ্ট্রসংঘ আগেই জানিয়েছে, এভাবে যদি গোটা বিশ্বে লকডাউন চলতে থাকে তাহলে তীব্র খাদ্যসংকট তৈরি হতে পারে। লকডাউনের জেরে যেভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন এবং পরিবহণ বন্ধ হয়ে পড়েছে, তাতেই সংকট সৃষ্টির সম্ভাবনা। এতো গেল লকডাউনের আর্থিক ক্ষতিকর দিক। করোনায় যেভাবে মৃত্যু মিছিল চলছে তাতে এমনিতেও বহু মানুষের প্রানহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মারক এই ভাইরাসটির এপিসেন্টার এখন ইউরোপ এবং আমেরিকা। এরপর যদি এটি আফ্রিকায় পা বাড়ায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই এই মুহূর্তে প্রতিষেধক তৈরি ছাড়া এই ভাইরাস রুখে দেওয়ার আর কোনও বিকল্প নেই বলেই মনে করছে রাষ্ট্রসংঘ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.