Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পাক চা বিক্রেতার দোকানে অভিনন্দনের ছবি প্রশংসা কুড়োচ্ছে নেটদুনিয়ার

কী বার্তা দিতে চাইলেন বিক্রেতা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৯, ২০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৯, ২০:১৫

options
link
পাক চা বিক্রেতার দোকানে অভিনন্দনের ছবি প্রশংসা কুড়োচ্ছে নেটদুনিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বজরঙ্গি ভাইজান ছবিটার শেষ দৃশ্যের কথা মনে আছে? ছোট্ট মুন্নিকে বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়ে পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরছিলেন বজরঙ্গি ভাইজান। হাততালি দিয়ে তাঁর কীর্তিকে কুর্নিশ জানিয়েছিলেন সীমান্তের দু’পারের বাসিন্দারা। সেলুলয়েডের সে ছবিই এবার বাস্তবে ধরা দিল। যেখানে বাস্তবের নায়ক অভিনন্দন বর্তমান।

[অভিনন্দনের ছবি দিয়ে ভোটপ্রচার, বিজেপি বিধায়ককে নোটিস নির্বাচন কমিশনের]

অভিনন্দনকে নিয়ে ভারতীয়দের ভালবাসা, শ্রদ্ধার কথা নতুন করে আর কিছু বলার নেই। তাঁর মতো গোঁফের ছাঁট থেকে অভিনন্দন শাড়ি, এসবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে রাতারাতি। এমনকী সদ্যোজাতর নামও রাখা হচ্ছিল উইং কমান্ডারের নামে। কিন্তু অভিনন্দন যে পড়শি দেশেও সাড়া ফেলে দিয়েছেন, তা হয়তো অনেকেরই অজানা ছিল। সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের দূত হয়েই তিনি যেন পাক ভূমে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এমনটাই অন্তত মনে করেন সে দেশের আমজনতা। তারই প্রমাণ একটি চায়ের দোকান। পাকিস্তানের ঠিক কোন এলাকায় দোকানটি রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে সেখানে ভারতীয় বায়ুসেনার ছবিটি বেশ উজ্জ্বল। ছবিতে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দেখা যাচ্ছে অভিনন্দনকে। ছবির পাশে উর্দু ভাষায় লেখা, এমন চা, যা শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করে। এমন চায়ের দোকানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়। চা বিক্রেতার ব্যবসায়িক বুদ্ধির তারিফও করেছেন অনেকে। সেই সঙ্গে যেখানে তিনি দুই দেশকে শান্তির বার্তা দিয়েছেন, তাও প্রশংসা কুড়োচ্ছে নেটিজেনদের।

Advertisement

[‘প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজন ভালবাসা, উনি সৌন্দর্য দেখতে পান না’, কটাক্ষ রাহুলের]

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার জঙ্গি হামলায় শহিদ হয়েছিলেন চল্লিশ জনেরও বেশি সিআরপিএফ জওয়ান। ঠিক ১২ দিনের মাথায় পালটা দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তানে এয়ারস্ট্রাইকে ধ্বংস হয় একাধিক জঙ্গিঘাঁটি। এরপর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করা পাক বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান এফ-১৬-কে ধাওয়া করে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান৷ যার পাইলট ছিলেন অভিনন্দন৷ মিগ-২১ বাইসন বিমানটি নিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভেঙে পড়লে পাক সেনার হাতে বন্দি হন তিনি৷ দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ওয়াঘা বর্ডার দিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে ফেরেন তিনি। কিন্তু সেই ৫৮ ঘণ্টাতেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রে তিনি কতটা প্রভাব ফেলেছিলেন, কূটনীতির ময়দান ছাপিয়েও তা বেশ পরিষ্কার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.