Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
UK Asylum

ব্রিটেনে আশ্রয় পেতে সমকামী সাজছেন পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি অভিবাসীরা!

২০২৫ সালে এই ধরনের আবেদনের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৫:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৫:৫৯

options
link
ব্রিটেনে আশ্রয় পেতে সমকামী সাজছেন পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি অভিবাসীরা! zoom
ধরা পড়লে অভিযুক্তদের ব্রিটেন থেকে বহিষ্কারও করা হতে পারে।

ব্রিটেনে থাকা পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি অভিবাসীদের অদ্ভুত প্রস্তাব দিচ্ছেন ইমিগ্রেশন অ্যাডভাইজার ও আইনজীবীরা। যাঁদের ভিসার মেয়াদ ফুরাতে বসেছে তাঁদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সমকামী সাজার! বিবিসি সূত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে।

কেমন এমন পরামর্শ? আসলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সমকাম বেআইনি। তাই অভিবাসীদের বলা হচ্ছে, নিজেদের সমকামী হিসেবে পরিচয় দিতে। যার মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের বিপন্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। পাবেন ব্রিটেনে থাকার সুযোগ। জানা যাচ্ছে, এই পরামর্শের বিনিময়ে রীতিমতো মোটা অঙ্কের ‘ফি’ নেওয়া হচ্ছে। কেবল দাবিই নয়, দাবির সপক্ষে প্রমাণস্বরূপ ব্যক্তিগত কাহিনি,ছবি, চিঠি এমনকী মেডিক্যাল রেকর্ডও পেশ করতে বলা হচ্ছে। যার সবটাই সাজানো।

Advertisement

বিশেষ করে যাঁরা পড়াশোনা কিংবা নিছক ভ্রমণের জন্যই ব্রিটেনে গিয়েছেন, তাঁদের ভিসা ফুরিয়ে এলে নিজেদের যৌন পরিচয় দিয়ে এটা জানাতে বলা হচ্ছে যে, তাঁরা নিজেদের দেশে মোটেই নিরাপদ নন। ব্রিটেন এই ধরনের ঘটনা বাড়ছে। বিবিসির দাবি, ২০২৫ সালে এই ধরনের আবেদনের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে! দেখা যাচ্ছে অনেককেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। অথচ পরে পরিষ্কার হয়ে যায়, কীভাবে সিস্টেমের অপব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, চালু ব্যবস্থার অপব্যবহার করতে গেলে কিন্তু পড়তে হবে বড় সমস্যায়। এমনকী অভিযুক্তদের ব্রিটেন থেকে বহিষ্কারও করা হতে পারে।

আসলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সমকাম বেআইনি। তাই অভিবাসীদের বলা হচ্ছে, নিজেদের সমকামী হিসেবে পরিচয় দিতে। যার মাধ্যমে তাঁরা পাবেন ব্রিটেনে থাকার সুযোগ। পরামর্শের বিনিময়ে রীতিমতো মোটা অঙ্কের ‘ফি’ নেওয়া হচ্ছে।

এক আইনজীবী জানিয়েছেন, ৭ হাজার ইউরোর বিনিময়ে তাঁরা পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনের পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই সঙ্গেই তাঁদের আশ্বাস, এই ধরনের আবেদনে প্রত্যাখ্যানের সম্ভাবনা খুবই কম। আরেক আইনজীবী স্বীকার করেছেন, দেড় হাজার ইউরোর বিনিময়ে তিনি ভুয়ো প্রমাণ জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে নথির জন্য অতিরিক্ত অর্থও দিতে হবে। যা থেকে পরিষ্কার, কীভাবে এই পরামর্শ থেকে নিজেদের পকেট ভারী করছেন ব্রিটেনের আইনজীবীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.