Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
US

আমেরিকায় রয়েছেন ৩৫ বছর! ‘অবৈধ বাসিন্দা’ হিসেবে সেই ভারতীয় মহিলাই আটক

আটক করার পর ২৪ ঘণ্টা তাঁকে খাবার বা জল, কোনওটিই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১১:৩২

options
link
আমেরিকায় রয়েছেন ৩৫ বছর! ‘অবৈধ বাসিন্দা’ হিসেবে সেই ভারতীয় মহিলাই আটক zoom
মিনু বাত্রা পেশায় একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোভাষী।

বয়স তাঁর ৫৩ বছর। আমেরিকায় বাস করছেন তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে। আরও স্পষ্ট করে বললে, দীর্ঘ ৩৫ বছর। এতেই শেষ নয়। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মিনু বাত্রা পেশায় একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোভাষী। টেক্সাসের একমাত্র স্বীকৃত পাঞ্জাবি, হিন্দি এবং উর্দু দোভাষী হিসাবে বছরের পর বছর ধরে কাজ করেছেন, অভিবাসন আদালতকে সহায়তা করেছেন। সেই মিনুই বর্তমানে আটক আমেরিকান ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হাতে।

আইসিই-র তরফে মিনুকে গত ১৭ মার্চ টেক্সাসের হারলিনজেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করা হয়। সেই সময় তিনি অভিবাসন আদালতেরই একটি কাজের সূত্রে উইসকনসিনের মিলৌকির উদ্দেশে‌ রওনা হয়েছিলেন। আদপে পাঞ্জাবি, মিনু বর্তমানে আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তস্থিত রেমন্ডভিলের এল ভ্যালে ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি। আমেরিকায় অবৈধভাবে বসবাস করছেন–মিনুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে। আর এই নিয়েই ঘনীভূত হয়েছে প্রবল বিতর্ক।

Advertisement

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মিনু বাত্রা পেশায় একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোভাষী। টেক্সাসের একমাত্র স্বীকৃত পাঞ্জাবি, হিন্দি এবং উর্দু দোভাষী হিসাবে বছরের পর বছর ধরে কাজ করেছেন, অভিবাসন আদালতকে সহায়তা করেছেন।

মিনুর আইনজীবীরা অভিযোগ জানিয়েছেন, আটক করার পর ২৪ ঘণ্টা তঁাকে খাবার বা জল, কোনওটিই দেওয়া হয়নি। এমনকী, যে কাজের উদ্দেশে‌্য মিনু যাচ্ছিলেন, তার অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তঁাকে বেআইনিভাবে আটক করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তঁার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, অসুস্থতা সত্ত্বেও ওষুধ খেতে দেওয়া হচ্ছে না। মিনুর আইনজীবীরা তঁার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন। তঁার মুক্তি চেয়ে টেক্সাসের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে একটি ‘হিবিয়াস কর্পাস’ পিটিশন দায়ের হয়েছে। আগামী ২১ এপ্রিলের মধে‌্য ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল‌্যান্ড সিকিউরিটিকে পিটিশন খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন জেলা আদালত।

কিন্তু কেন আটক করা হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত, মার্কিন ‘নাগরিক’ মিনুকে? বিপত্তির সূচনা মিনুর নামে ইস্যু হওয়া ২০০০ সালের একটি রিমুভাল অর্ডার নিয়ে। ওই বছর মার্কিন আদালত জানিয়েছিল, বেআইনি অভিবাসী হিসাবে মিনুকে প্রত্যর্পণ করতে পারে আমেরিকা। আবার সেই বিচারকই মিনুকে ‘উইদহোল্ডিং অফ রিমুভাল’ স্টেটাস দেন। এই বিষয়টি রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলামের থেকে আলাদা। আর এর অর্থ, ভারত মিনুর জন্য নিরাপদ নয় বলে তঁাকে ওই দেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না মার্কিন প্রশাসন। তবে কোনও দিনই আমেরিকার নাগরিকত্ব (গ্রিন কার্ড) পাবেন না তিনি। বস্তুত এই স্টেটাস সংক্রান্ত নিয়মের গেরোতেই ফেঁসেছেন মিনু। প্রসঙ্গত, মিনু আমেরিকায় এসেছিলেন ১৯৮৪ সালের শিখ দাঙ্গার পর। ২০০২ সাল থেকে তিনি টেক্সাসের লাগুনা হাইটসের বাসিন্দা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.