Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Nawaz Sharif

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করল পাকিস্তান

উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রিটেনে রয়েছেন শরিফ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২০, ১২:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২০, ১২:২৭

options
link
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করল পাকিস্তান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে পলাতক ঘোষণা করল পাকিস্তান। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ গিয়েছিলেন শরিফ। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও দেশে না ফেরায় তাঁকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করছে ইমরান খানের প্রশাসন।

[আরও পড়ুন: কোমায় আচ্ছন্ন একনায়ক কিম, উত্তর কোরিয়ার রাশ ধরতে চলেছেন বোন ইয়ো]

পাক প্রধানমন্ত্রীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ক পরামর্শদাতা শাহজাদ আকবর জানান, নওয়াজ শরিফের (Nawaz Sharif) চার সপ্তাহের জামিনের মেয়াদ গত বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে। তাই সরকার এখন শরিফকে পলাতক হিসেবেই গণ্য করছে। ইতিমধ্যে তাঁকে দেশে ফেরানোর জন্য ব্রিটেনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। যদিও গত মাসে আইনজীবীর মাধ্যমে লাহোর হাই কোর্টে মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা দিয়ে শরিফ জানান, করোনার জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশের কারণেই তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না।

Advertisement

গতবছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দি তিনবারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তারপরই জামিন দিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। স্বাস্থ্যের কারণেই অনির্দিষ্ট সময়সীমার জন‌্য নওয়াজের জামিন মঞ্জুর করে লাহোর ও ইসলামাবাদ হাই কোর্ট। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় শর্তসাপেক্ষ জামিনে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রিটেন চলে যান তিনি। এর আগে, জেলে তাঁর বাবাকে বিষ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন নওয়াজ শরিফের পুত্র হুসেন নওয়াজ৷

উল্লেখ্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ‘পাঞ্জাবের সিংহ’ নামে পরিচিত। পাক পাঞ্জাব প্রদেশের অবিংসবাদী নেতা তিনি। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৭ সালে তাঁকে আজীবনের জন‌্য রাজনীতি থেকে নির্বাসিত করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। পরে ওই মামলাতেই তাঁর সাত বছরের কারাদণ্ড হয়। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে শরিফের দাবি, দেশের শক্তিশালী সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। ২০১৮-য় শরিফের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রভাবশালী ব‌্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু করেন। বেছে বেছে বিরোধী নেতাদের তাতে আক্রমণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

[আরও পড়ুন: OMG! ইন্দোনেশিয়ায় দূতাবাস ভবন বিক্রিতে দোষী সাব্যস্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.