Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং! যুদ্ধের জেরে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে পাকিস্তান

পাকিস্তান বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। তবে, মার্চের শুরুতে কাতারে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি প্ল্যান্টে হামলার কারণে এর রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৮:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৮:৩৪

options
link
১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং! যুদ্ধের জেরে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে পাকিস্তান zoom
বিদ্যুৎহীন পাকিস্তান।
Advertisement

ইরান যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হতে দ্বিতীয় দফায় ফের উঠেপড়ে লেগেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের গুরুত্ব বাড়াতে গিয়ে এদিকে ভাঁড়ে মা ভবানী দশা শাহবাজ-মুনিরদের। রিপোর্ট বলছে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে ভয়ংকর বিদ্যুৎ সংকটে যুজছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৪ ঘণ্টাই কাটাতে হচ্ছে লোডশেডিংয়ে। লাটে উঠেছে উৎপাদন। ক্ষুব্ধ গোটা দেশের সাধারণ নাগরিক।

জানা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে পাকিস্তানের এলএনজি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পাক জ্বালানি মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যায় বিদ্যুতের চাহিদা চরম আকার নিয়েছিল। তখন দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ৪৫০০ মেগাওয়াট। যা পাকিস্তানের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ২৫ শতাংশ। মন্ত্রকের দাবি অনুযায়ী, বেশিরভাগ এলাকাতে দু’ঘণ্টার বেশি সময় লোডশেডিং চলছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ার জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর । গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ১৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা যাচ্ছে।

Advertisement

বেশিরভাগ এলাকাতে দু’ঘণ্টার বেশি সময় লোডশেডিং চলছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ার জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর । গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ১৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা যাচ্ছে।

ফেডারেশন অফ পাকিস্তান চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফপিসিসিআই)-এর সভাপতি আতিফ ইকরাম শেখ বলেন, শিল্পগুলি প্রায় আট ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। এর ফলে দেশের রপ্তানি ও স্থানীয় উৎপাদন উভয়ের ওপরই সরাসরি ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দাবি করা হচ্ছে, এই সংকটের মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। যার জেরে হরমুজে পুরোপুরি তালা পড়েছে। এই অবস্থায় জ্বালানি তেল ও গ্যাস আনতে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে পাকিস্তানকে।

এছাড়া পাকিস্তান বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। তবে, মার্চের শুরুতে কাতারে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি প্ল্যান্টে হামলার কারণে এর রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। গুরুতর এই অবস্থায় পাকিস্তান এখন খোলা বাজার থেকে এলএনজি কেনার বিকল্প খুঁজছে। তবে এই গ্যাসের দাম অনেক বেশি। সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম সামান্য কমলেই পাকিস্তান এই গ্যাস কিনতে পারবে, কারণ বর্তমান দাম তাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.