Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

ফের উসকানি পাকিস্তানের, গিলগিট-বালটিস্তানকে বিশেষ মর্যাদা দেবে ইসলামাবাদ

চিনের মদতে ভারতকে খোঁচা পাকিস্তানের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০, ১৩:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০, ১৩:৩৫

options
link
ফের উসকানি পাকিস্তানের, গিলগিট-বালটিস্তানকে বিশেষ মর্যাদা দেবে ইসলামাবাদ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সীমান্তে ভূ-মাফিয়ার মতো কাজ করছে চিন। এবার সেই সুরে সুর মিলিয়েছে পাকিস্তানও। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট ও বালটিস্তানকে এবার বিশেষ মর্যাদা দিতে চলেছে ইসলামাবাদ।

[আরও পড়ুন: বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে মদত দেওয়ার অভিযোগ, মার্কিন প্রতিনিধির তাইওয়ান সফরে ক্ষুব্ধ চিন]

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ওই অঞ্চলের অংশ গিলগিট ও বালটিস্তান। পাকিস্তানকে একথা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও বরাবর এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। কিন্তু চিনা আগ্রাসনের মধ্যে ভারতের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে এবার গিলগিট-বালটিস্তানকে পূর্ণাঙ্গ প্রদেশের স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইমরান খানের সরকার। এক মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার এবিষয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের একটি সাংবাদমাধ্যম। ‘Express Tribune’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট মোতাবেক, পাকিস্তানের কাশ্মীর ও গিলগিট-বালটিস্তান বিষয়কমন্ত্রী আলি আমিন গান্দাপুর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। বুধবার তিনি জানান, শীঘ্রই গিলগিট-বালটিস্তান সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ওই অঞ্চলকে পূর্ণাঙ্গ প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করবেন। সব ধরনের সাংবিধানিক অধিকার সহ এই মর্যাদা দেওয়া হবে। গান্দাপুর আরও বলেন, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ও সেনেট-সহ সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব থাকবে এই অঞ্চলের। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এবিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

Advertisement

উল্লেখ্য, এবার রাষ্ট্রসংঘে বালোচিস্তানে পাক সেনার অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘে নয়াদিল্লির প্রতিনিধি কোনও রাখঢাক না করেই সাফ বলেন, “এমন একটা দিন যায়নি যে বালোচিস্তানে কোনও না কোনও পরিবার নিজেদের প্রিয়জনকে হারায়নি। একইভাবে সিন্ধ ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে পাক সেনা। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক ও বিরোধী নেতাদের আওয়াজ বন্ধ করতেও পাকিস্তানের জুড়ি মেলা ভার। মানবাধিকার পরিষদের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে বরাবর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইসলামাবাদ। এর আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজের দেশের ঘটা অমানবিক কর্মকাণ্ড আড়াল করা।” সব মিলিয়ে, পাকিস্তানকে তাদের ভাষাতেই জবাব দিচ্ছে ভারত।

[আরও পড়ুন: ‘করোনার ধাক্কা সামলাতে লাগতে পারে ৫ বছর’, বলছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.