১২ কার্তিক  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘আমাদের পশুর চোখে দেখে পাকিস্তান’, রাষ্ট্রসংঘে সরব অধিকৃত কাশ্মীরের নেতা

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: September 25, 2020 5:15 pm|    Updated: September 25, 2020 5:15 pm

An Images

সাজ্জাদ রাজা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের নির্বিচারে গুম খুন করার পাশাপাশি তাঁদের বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করছে। নাবালিকা, কিশোরী ও যুবতীদের অপহরণের পর জোর করে ধর্ম বদলে বিয়ে করছে সেখানকার মৌলবাদী মুসলিমরা। বেশ কয়েকবার এই ধরনের ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে পাকিস্তান সরকারকে। কিন্তু, তাতে যে কোনও ফল হয়নি রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে তার প্রমাণ পাওয়া গেল। পাকিস্তানের সরকার অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের সঙ্গে পশুর মতো ব্যবহার করে বলে অভিযোগ জানালেন সেখানকার এক নেতা অধ্যাপক সাজ্জাদ রাজা (Sajjad Raja)। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে বসবাসকারী নাগরিকদের সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার রক্ষার জন্য রাষ্ট্রসংঘকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ করলেন।

বৃহস্পতিবার জেনেভায় আয়োজিত রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদ ((UNHRC) -এর ৪৫তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইমরান প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন ন্যাশনাল ইকুয়ালিটি পার্টি (JKGBL)’র চেয়ারম্যান সাজ্জাদ রাজা। কান্না ভেজা গলায় বলেন, ‘পাকিস্তান আমাদের সঙ্গে যে পশুর মতো আচরণ করে তা বন্ধ করার জন্য আমরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা এই পরিষদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নির্বাচন আইন ২০২০, আমাদের সাংবিধানিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেবে। আমাদের কর্মসূচিকে পাকিস্তান যেভাবে দেশদ্রোহিতার পরিচয় বলে অভিহিত করছে তা রাষ্ট্রসংঘে গৃহীত সিদ্ধান্তের বিরোধী।’

[আরও পড়ুন: ট্রাম্প, নেতানিয়াহুর পর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন]

এপ্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ সরকারের সমালোচনা করায় নিজেদের মাটিতেই আমাদের দেশদ্রোহীর তকমা দেওয়া হয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে অবৈধ আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি নতুন নির্বাচনী আইনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোনও বাধা ছাড়াই আমাদের মানুষদের ওরা নির্বিচারে হত্যা করবে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালানোর পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালানোর জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার যুব সম্প্রদায়ের ব্রেনওয়াশ করছে ইমরানের সরকার।

[আরও পড়ুন: ব্যবহৃত কন্ডোম ধুয়ে ফের বাজারে বিক্রি, আজব জালিয়াতিতে হতবাক পুলিশ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement