BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

সম্প্রীতির নজির, ইসলামাবাদে হিন্দু মন্দির তৈরির পক্ষে সওয়াল পাকিস্তান উলেমা কাউন্সিলের

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: July 12, 2020 6:04 pm|    Updated: July 12, 2020 6:07 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের শাসক জোটের শরিক দল-সহ বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের আপত্তিতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইসলামাবাদ (Islamabad) -এর হিন্দু মন্দির তৈরির কাজ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-সহ অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানালেও কোনও গুরুত্ব দেয়নি ইমরানের সরকার। উলটে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তুলে দিয়েছে ইসলামিক আদর্শ বিষয়ক কাউন্সিলের হাতে। ইসলামি আইন অনুযায়ী তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে তার উপরেই ইসলামাবাদের প্রথম হিন্দু মন্দিরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে বলেও পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিকূল এই পরিস্থিতির মধ্যে এবার ইসলামাবাদে বসবাসকারী হিন্দুদের পাশে এসে দাঁড়াল পাকিস্তান উলেমা কাউন্সিল (PUC)। এই মন্দির নির্মাণে যারা বাধা দিচ্ছে তাদের তীব্র সমালোচনা করল।

এপ্রসঙ্গে পাকিস্তান উলেমা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হাফিজ মহম্মদ তাহির মেহমুদ আশরাফি বলেন, ‘ওই মন্দির তৈরি নিয়ে যে বিতর্ক হচ্ছে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ করছি। এই বিষয়টি নিয়ে মৌলবাদী মৌলবীদের আচরণ শোভনীয় নয়। আমরা এই বিষয়ে পাকিস্তান উলেমা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে একটি মিটিং করব। তারপরই এই বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনার কথা কাউন্সিল অফ ইসলামিক আইডিয়োলজি (CII) বা ইসলামিক আদর্শ বিষয়ক কাউন্সিলের সামনে তুলে ধরব।’

[আরও পড়ুন: করোনার কামড়ে ঘুচল আপত্তি, প্রথমবার মাস্ক পরে জনসমক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প]

পাকিস্তানের সংবিধানে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের ধর্মাচরণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে কিছু ধর্মান্ধ তার বিরোধিতা করছে বলেও অভিযোগ আশরাফির। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের সংবিধানে মুসলিম ও অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের অধিকার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া রয়েছে। সেখানে পরিষ্কার করে বলা রয়েছে, নিজেদের জায়গায় তাঁরা নিজস্ব বিশ্বাস অনুযায়ী ধর্মাচরণ করতে পারবেন। শরিয়ত আইনেও একই কথা উল্লেখ করা রয়েছে। তারপরও কিছু মানুষ তার ভুল ব্যাখ্যা করে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর অত্যাচার চালানোর চেষ্টা করে। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়।’

[আরও পড়ুন: ‘করোনার ভয়াবহতা জেনেও বিশ্বকে সতর্ক করেনি চিন’, বিস্ফোরক হংকংয়ের ভাইরোলজিস্ট]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement