Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

টার্গেট নাবালকরা, গেমিং অ্যাপের আড়ালে ভারতে অপরাধচক্রের জাল! ফাঁস পাক গ্যাংস্টারের ষড়যন্ত্র

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত নাবালকদের কাছ থেকে পিস্তল-সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া পিস্তলগুলি শাহজাদের চক্রের মাধ্যমেই তাদের কাছে পৌঁছেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, অনলাইন গেম খেলতে গিয়েই প্রথমে পঞ্জাবের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নাবালকদের। পরে সেই যুবক তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেয় পাকিস্তানে বসে থাকা কুখ্যাত গ্যাংস্টারের সঙ্গে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৯:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৯:২৮

options
link
টার্গেট নাবালকরা, গেমিং অ্যাপের আড়ালে ভারতে অপরাধচক্রের জাল! ফাঁস পাক গ্যাংস্টারের ষড়যন্ত্র zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

অনলাইন গেমিং অ্যাপকে হাতিয়ার করে ভারতে অপরাধচক্রের জাল বিস্তার করছে পাকিস্তানের (Pakistan) কুখ্যাত গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে ধরা পড়া তিন নাবালকের জেরায় উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত নাবালকদের কাছ থেকে পিস্তল-সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া পিস্তলগুলি শাহজাদের চক্রের মাধ্যমেই তাদের কাছে পৌঁছেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, অনলাইন গেম খেলতে গিয়েই প্রথমে পঞ্জাবের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নাবালকদের। পরে সেই যুবক তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেয় পাকিস্তানে বসে থাকা কুখ্যাত গ্যাংস্টারের সঙ্গে। এরপর সমাজমাধ্যম এবং ‘এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপে’র মাধ্যমে শাহজাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে শুরু করে নাবালকরা। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, প্রাথমিকভাবে গেমিং অ্যাপে নাবালক এবং তরুণদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতেন শাহজাদ। তারপর তাদের ছোটখাটো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হত, পরে ধীরে ধীরে তাদের বড় ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার প্রচেষ্টা চলত।

Advertisement

তদন্তকারীদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে এই ধরনের নেটওয়ার্ককে অস্ত্র সরবরাহ এবং দেশ বিরোধী বিভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, অস্ত্রগুলি কীভাবে তাঁদের কাছে পৌঁছল, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গাজিয়াবাদের এক নাবালকের সঙ্গে অনলাইন গেমের মাধ্যমে পঞ্জাবের এক যুবকের পরিচয় হয়। দীর্ঘদিন একসঙ্গে গেম খেলার পর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। পরে ওই যুবক তাকে শাহজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করান। এরপর পাক গ্যাংস্টার তার নেটওয়ার্কের আরও দুই সদস্যের সঙ্গেও ওই নাবালকের পরিচয় করিয়ে দেয়। এরপরই ওই নাবালকের হাতে একটি পিস্তল তুলে দেওয়া হয়। অনলাইন গেমিং অ্যাপকে হাতিয়ার করে সীমান্তের ওপার থেকে অপরাধচক্র পরিচালনার বিষয়টিতে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.