৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবা নওয়াজ শরিফকে শাস্তি দেওয়া নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন মেয়ে মরিয়ম শরিফ। এই অভিযোগের জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাকিস্তানের রাজনীতিতে। মরিয়মের অভিযোগ, ইসলামাবাদ আদালতের বিচারপতির উপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে, তাঁকে ব্ল্যাকমেল করে বাধ্য করা হয়েছে যাতে তিনি নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে রায় দেন। এবং তাই হয়েছে। ওই বিচারপতি নিজেই কবুল করেছেন, তিনি রাজনৈতিক চাপের কাছে মাথা নত করে নওয়াজের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। যদিও মরিয়মের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন বিচারপতি মালিক। 

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানেই দাউদ, ২৫ বছর পর প্রকাশ্যে ডনের ছবি]

এর প্রমাণ হিসাবে শনিবার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন মুসলিম লিগ নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেত্রী মরিয়ম। পরে দলের তরফে সেটি সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেটি পোস্ট করা হয়। তাতে পিএমএল-এন নেতা নাসির বাটের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় ইসলামাবাদ আদালতের বিচারপতি আরশাদ মালিককে। দু’জনের মধ্যে কথাবার্তা চলাকালীন আরশাদ জানান, বাইরে থেকে প্রচণ্ড চাপ আসছিল। ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল তাঁকে, যাতে কোনওভাবেই রেহাই না পান নওয়াজ শরিফ। শেষমেশ চাপের মুখে নতিস্বীকার করেন তিনি। দুর্নীতির সপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নওয়াজ শরিফকে কারাবাসের সাজা শোনানো হয়। ভিডিওটি নিয়ে শনিবার লাহোরে একটি সাংবাদিক বৈঠকও করেন মরিয়ম নওয়াজ। সেখানে তিনি জানান, আদালতে ন্যায্য বিচার পাননি তাঁর বাবা। এই ভিডিওটি তার বড় প্রমাণ। মরিয়ম আরও বলেন, ‘‘বাবার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক তছরুপ এবং বেআইনি লেনদেনের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে সাফ জানিয়েছেন বিচারপতি মালিক। একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে তাঁকে (বিচারপতি মালিককে) লাগাতার ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল। তাই নিরুপায় হয়ে বাবাকে ওই কঠোর সাজা শোনান তিনি।’’

মরিয়মের দাবি, পাকিস্তানের সেনা, আইএসআই, প্রশাসনের একটা বড় অংশ চায় না নওয়াজ শরিফ রাজনৈতিকভাবে ফিরে আসুন বা ক্ষমতায় বসুন। তাই নওয়াজকে আটকাতেই বিচারপতিকে দিয়ে কৌশলে এই খেলা খেলেছে নওয়াজ বিরোধী শক্তি। মরিয়ম জানান, নওয়াজ শরিফকে সাজা শোনানোর পর ওই বিচারপতি একাধিকবার আত্মঘাতী হওয়ার কথা ভেবেছেন বলেও দাবি করেন মরিয়ম। ভিডিওটি সামনে আসার পর তাঁর বাবাকে আর জেলে রাখা ঠিক হবে না। এরপর নওয়াজের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। ইসলামাবাদ হাইকোর্টে নওয়াজ শরিফের জামিনের মামলায় ভিডিওটি সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা হবে।

[আরও পড়ুন: হিজাব পরায় কানাডায় শিক্ষকতা বন্ধ নোবেলজয়ী মালালার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং