২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে যে কাশ্মীরিরা ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে লড়ে। তাদের নায়ক মনে করে পাকিস্তানিরা।’ সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা সাক্ষাত্‍কারের একটি পুরনো ভিডিওতে এই কথাই বলতে শোনা গেল পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফকে। শুধু তাই নয়, আল কায়দার জন্মদাতা ওসামা বিন লাদেন ও হাক্কানি গোষ্ঠীর প্রধান জালালউদ্দিন হাক্কানিকেও ‘পাকিস্তানের নায়ক’ বলে উল্লেখ করেন তিনি সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগে যখন আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা এফএটিএ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রসংঘ, সবাই পাকিস্তানকে সতর্ক করছে। ঠিক তখনই দেশের প্রাক্তন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফের এই ভিডিও নতুন করে অস্বস্তিতে ফেলেছে ইমরান খানের সরকারকে। পাকিস্তান যে আগাগোড়া জঙ্গিদের মদত দিয়ে আসছে তাও ফের সামনে এসেছে।

[আরও পড়ুন: ‘ইসলামিক জেহাদ’ প্রধানকে খতম করল ইজরায়েল, পালটা রকেট বর্ষণ জঙ্গিদের]

গত বুধবার পারভেজ মুশারফের সাক্ষাত্‍কারের ওই ভিডিওটি টুইট করেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির এক নেতা ফারহাতুল্লা বাবর। ভিডিওটিতে মুশারফকে বলতে শোনা গিয়েছে, স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরিদের ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় পাকিস্তানে। এই কাজে যুক্ত থাকা সবাই সেখানে নায়কের সম্মান পায়। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত রাশিয়াকে আফগানিস্তানের মাটি থেকে নির্মূল করার জন্য ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদের সূচনা হয়েছিল। নিজেদের স্বার্থেই এই কাজের দায়িত্ব নিয়েছিল পাকিস্তান। ওই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কুখ্যাত জঙ্গি ও মুজাহিদিনদের জড়ো করে প্রশিক্ষণ দিই আমরা। অস্ত্র-সহ সমস্ত কিছু দিয়ে সাহায্য করি। ওরা আমাদের নায়ক ছিল। হাক্কানি আর ওসামা বিন লাদেনকেও বীর নায়ক হিসেবে সম্মান জানাই আমরা। তবে তখনকার পরিবেশের সঙ্গে এখানকার অনেক পার্থক্য আছে। সেসময়ের নায়করা এখন খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে পঙ্গপালের হানা, বিরিয়ানি বানিয়ে খাওয়ার নিদান মন্ত্রীর]

ওই সাক্ষাত্‍কারে কাশ্মীরের অস্থিরতার জন্য যে পাকিস্তানই আগাগোড়া ইন্ধন দিচ্ছে তা স্বীকার করেন মুশারফ। বলেন, ‘ওই সময় কাশ্মীর থেকে যারা পাকিস্তান এসেছিল, তাদের বীরের মতো স্বাগত জানাই আমরা। শুরু থেকেই ওদের সমর্থন করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণও দিয়েছি। ওদেরও মুজাহিদ বলে মানতাম আমরা, বিশ্বাস করতাম ওরা ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে লড়বে। আমাদের মদতেই তখন লস্কর-ই-তইবার মতো একাধিক জঙ্গি সংগঠন মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করে। ওদের সবাইকেই নায়ক বলে মনে করতাম আমরা।’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং