সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাসে প্রথমবার তিনশোর গণ্ডি পেরল পাকিস্তানের (Pakistan) পেট্রল-ডিজেলের দাম। বৃহস্পতিবার নতুন করে জ্বালানির দাম বেড়েছে পাকিস্তানে। তারপর থেকেই লিটারপিছু তিনশো টাকারও বেশি দরে বিকোচ্ছে পেট্রল ও ডিজেল। এমনিতেই খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া দামের ছ্যাঁকায় নাভিশ্বাস উঠেছে পাক জনতার। কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতায় এলেও স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের কপালে।
বৃহস্পতিবার পেট্রল (Petrol Price) ও ডিজেলের (Diesel Price) বর্ধিত দাম প্রকাশ করে পাকিস্তানের কেয়ারটেকার সরকার। এক ধাক্কায় ১৪.৯১ টাকা বাড়ানো হয় পেট্রলের দাম। হাই স্পিড ডিজেলের দামও একবারে ১৮.৪৪ টাকা বেড়েছে। নতুন মূল্য অনুসারে, লিটার পিছু দুই জ্বালানির দামই তিনশো ছাড়িয়েছে। পাক মুদ্রায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৩০৫.৩৬ টাকা। অন্যদিকে ৩১১.৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক লিটার ডিজেল।
[আরও পড়ুন: লোকসভা ভোট হতে পারে ডিসেম্বরেই! মমতার ভবিষ্যদ্বাণী কি সত্যি হওয়ার পথে?]
দিন কয়েক আগেই বিদ্যুতের চড়া দামের কারণে প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ। একাধিক এলাকায় বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। সরকারের তরফে এই সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে সেই সমস্যা এখনও মেটেনি। উলটে তার আগেই ফের নতুন করে সমস্যার মুখে পাক জনজীবন। ইতিহাসে প্রথমবার তিনশো পেরিয়েছে জ্বালানির দাম। এমতাবস্থায় ফের ধাক্কা খাবে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, সেকথা বলাই বাহুল্য। ইতিমধ্যেই ঋণের বোঝায় একেবারে ভেঙে পড়েছে সেদেশের অর্থনীতি।
বর্তমানে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে রয়েছে পাকিস্তান। দেশের নির্বাচনী প্রস্তুতির পাশাপাশি অর্থনীতির হাল ফেরানোর দায়িত্বও রয়েছে সরকারের উপরে। তবে পাক অর্থনীতি পড়ে রয়েছে সেই তিমিরেই। ডলারের নিরিখে হু হু করে পড়ছে পাক মুদ্রার দাম। মূল্যবৃদ্ধির সমস্যায় জেরবার আমজনতা। এহেন পরিস্থিতিতে গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে বেড়েছে জ্বালানির দাম।
[আরও পড়ুন: ম্যাপ বিতর্কে সমর্থন বাড়ছে ভারতের, চিনা আগ্রাসনের বিরোধিতায় চার দেশ]
সর্বশেষ খবর
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?
-
‘এবার তলোয়ার চালাব’, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের খোঁচা পন্থের, ‘ভাগ করে খাওয়ার’ পরামর্শ সরফরাজের
-
স্টান্টের সময় মাথায় আঘাতে স্মৃতি উধাও জ্যাসমিনের! কনকাশন কী, কেন এমন হয়?
-
ইমরান ম্যাজিকে ফিকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’, তবুও সানিকেই সমর্থন, ভূয়সী প্রশংসা হেমার
-
ফাঁসি না প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন! ‘মানবিক’ মৃত্যুদণ্ডের আর্জিতে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?