সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্বজুড়ে হাহাকার চলছে। সংক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টায় বিভিন্ন দেশে লকডাউন চলছে। যেখানে লকডাউন নেই সেই দেশগুলিতেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নমাজ পড়তে পারেন সেই জন্য জার্মানির একটি চার্চ তাদের দরজা খুলে দিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নমাজ পড়ার নির্দেশ থাকায় স্থানীয় মসজিদে সবার জায়গা হচ্ছে না। তাই এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করল বার্লিনের ওই চার্চটির কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনার কারণে বিশ্বের অন্য দেশগুলির মতো জামার্নিতেও যেকোনও জমায়েতের উপর সরকারি বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। গত ৪ মে থেকে ধর্মীয় প্রার্থনাস্থলগুলি খুলে দেওয়া হলেও পাঁচ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে। এর ফলে গত শুক্রবার বার্লিনের নিউকোলন জেলার দার-আস-সালাম মসজিদে খুব কম সংখ্যক মানুষ নমাজ পড়তে পারেন। বিষয়টি জানতে পেরে এগিয়ে আসে ক্রুজবার্গ এলাকার মার্থা লুথেরান চার্চ। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইদ ও জুম্মাবারের নমাজ পড়তে পারেন তাই চার্চের দরজা খুলে দিয়েছে তারা।
[আরও পড়ুন: প্রথম পাতায় শুধু মৃতদের নাম, করোনা রুখতে আমেরিকার ব্যর্থতার দলিল ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ ]
শুধু তাই নয়, ওই চার্চের একজন যাজকও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে নমাজে অংশ নেন। এই উদ্যোগে খুশি হয়েছেন ওই এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁরা বলছেন, ‘ভয়াবহ এই সংকটের মধ্যে মসজিদে নমাজ পড়া সম্ভব হচ্ছিল না। আমাদের এই দুরবস্থা দেখে চার্চ কর্তৃপক্ষ যেভাবে এগিয়ে এসেছে তাতে আমরা খুবই আনন্দিত। মহামারির সময়ে এই ঘটনা পরস্পরের মধ্যে ঐক্য তৈরিতে খুবই সাহায্য করবে। এই সময়ে যা অত্যন্ত দরকার বলে আমরা মনে করি।’
[আরও পড়ুন: আশঙ্কাই সত্যি, রাশিয়াকে ছাপিয়ে বিশ্বে করোনা সংক্রমণের নতুন কেন্দ্রস্থল ব্রাজিল]
সর্বশেষ খবর
-
গেরুয়া রঙের অসম্মান বরদাস্ত নয়! ‘গৈরিক’ মাহাত্ম্য প্রচারে কলকাতায় মিছিল শুভেন্দুর
-
মদ্যপ অবস্থায় প্রেক্ষাগৃহে হইচই! ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’ দেখতে গিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের
-
ফোন, ওটিপি নয়! তবু অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও সাড়ে ৮ লক্ষ, মাথায় হাত ব্যবসায়ীর
-
পুজোর ফ্যাশনে ইন ধনেখালি কাফতান! স্টাইল ও স্বাচ্ছন্দ্যে সাজুন নায়িকাদের মতো
-
পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে সিন্ধুতে বড় চাল ভারতের! লাদাখে প্রথম পাথরের বাঁধ বানাল নয়াদিল্লি