Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Rishi Sunak

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে হারছেন ঋষি, নিজেই জানালেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত

কর ছাড়ের বিরোধিতা করায় জনসমর্থন হারাচ্ছেন ঋষি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২২, ১৪:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২২, ১৪:০৭

options
link
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে হারছেন ঋষি, নিজেই জানালেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচনে হেরে যাবেন, এমনটাই জানালেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঋষি সুনাক (Rishi Sunak)। বলেছেন, জনপ্রিয়তার দিক থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী লিজ ট্রাসের থেকে বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন তিনি। দেশবাসীর কাছে সমর্থন চেয়ে আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ঋষির অর্থনৈতিক মতবাদের ফলেই ক্রমে সধারণ মানুষের আস্থা হারাচ্ছেন তিনি। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন ট্রাস (Liz Truss)।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (Britain Prime Minister) পদে কে বসবেন? সেই নিয়ে ভোটাভুটি, লড়াই চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। অনেক প্রার্থীর মধ্যে ভোটাভুটি করে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে রয়েছেন ঋষি সুনাক এবং লিজ ট্রাস। আগামী দিনে কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের ভোটেই ঠিক হবে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের মসনদে কে বসবেন। কিছুদিন আগেই নিজেকে আন্ডারডগ বলে দাবি করেছিলেন ঋষি। তারপরে আবারও প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে পিছিয়ে পড়া নিয়ে মন্তব্য করলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের অধিকাংশ নেতাদের সমর্থন রয়েছে ট্রাসের দিকেই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে চিনা জাহাজ! নজর রাখা হচ্ছে, জানিয়ে দিল ভারত]

তবে প্রধানমন্ত্রিত্বের নির্বাচন শুরু হওয়ার পরে প্রত্যেক ধাপেই এগিয়ে ছিলেন ঋষি। সাংসদদের মধ্যে ভোটাভুটির প্রত্যেক রাউন্ডেই সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যায়ের রায় দেবেন দলের সাধারণ কর্মী সমর্থকরা। সেই ক্ষেত্রেই মানুষের মনের মতো নীতি অবলম্বন করতে পারছেন না ঋষি। প্রচারের সময় তিনি বারবার বলেছেন, এক্ষুনি সাধারণ মানুষের উপর থেকে করের বোঝা কমিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। তিনি জানিয়েছেন, এমন সিদ্ধান্ত নিতে খুবই খারাপ লাগছে। কিন্তু সততার সঙ্গে কাজ করতে গেলে কর কমানো যাবে না।

অন্যদিকে, লিজ ট্রাস জানিয়েছেন, ক্ষমতায় এলে প্রথমেই কর কমানোর ব্যবস্থা করবেন তিনি। ট্রাসের মতে, ব্রিটেনের করগ্রহণ পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তন করা প্রয়োজন। সেদেশের প্রতিরক্ষা সচিব বেন ওয়ালাস প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে ট্রাসকেই সমর্থন করছেন তিনি। মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে বরিস জনসনের পতন নিশ্চিত করেছিলেন ঋষি। সেই কারণেই সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছেন ঋষি, এমনটাই মত বেনের। তবে দেশবাসীর কাছে সুনাকের আবেদন, “প্রত্যেকটি ভোটের জন্য লড়াই করব। আপনাদের সকলের সমর্থন চাইছি।” কার হাতে যাবে ব্রিটেনের ক্ষমতা, সেই উত্তর পাওয়া যাবে ৫ সেপ্টেম্বর।

[আরও পড়ুন: ‘আগুন নিয়ে খেলবেন না’, তাইওয়ান ইস্যুতে সরাসরি বাইডেনকে হুমকি জিনপিংয়ের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.