Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
China

শীঘ্রই হতে পারে রাশিয়া-ভারত-চিন সামিট, ইঙ্গিতবহ মন্তব্য পুতিন ঘনিষ্ঠের

কেন ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে জোর দিচ্ছে ক্রেমলিন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২১, ২১:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২১, ২১:০৩

options
link
শীঘ্রই হতে পারে রাশিয়া-ভারত-চিন সামিট, ইঙ্গিতবহ মন্তব্য পুতিন ঘনিষ্ঠের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে পারে রাশিয়া-ভারত-চিন সামিট। বুধবার এমনটাই ইঙ্গিতবহ মন্তব্য করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ট সহযোগী ইউরি উশাকভ। সম্প্রতি ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন পুতিন ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তারপরই উশাকভের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের।

[আরও পড়ুন: পার্কিং লটেই যৌনতায় মাতেন কর্মীরা, চলে হেনস্তাও, এলন মাস্কের সংস্থার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ]

ক্রেমলিনের অলিন্দে অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে পরিচিত পুতিনের ‘কাছের মানুষ’ উশাকভ। মস্কোর নীতি নির্ধারণে তাঁর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এহেন উশাকভকে উদ্ধৃত করে রুশ সংবাদ সংস্থা ‘Sputnik’ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারে ভারত, চিন ও রাশিয়া। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পুতিন ও জিনপিংয়ের বৈঠকে রাশিয়া-ভারত-চিন ত্রিপাক্ষিক সম্মেলনে বা আরআইসি সামিটের বিষয়ে কথা হয়েছে। ভবিষ্যতে তিন দেশের মধ্যে আরআইসি ফ্রেমওয়ার্ক মেনে বৈঠক নিয়ে দুজনেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।” বলে রাখা ভাল, গত নভেম্বর মাসে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সভাপতিত্বে বৈঠকে বসেন তিন দেশের বিদেশমন্ত্রীরা। এক যৌথ বিবৃতিতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরু দিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করে ভারত-রাশিয়া সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনায় বসেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পাশাপাশি, টু প্লাস টু বৈঠকে অংশ নেন রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। ওই বৈঠকে ভারতকে ‘পুরোন ও পরীক্ষিত বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন পুতিন। সবমিলিয়ে, মার্কিন নির্ভরতা কাটিয়ে নয়াদিল্লি আবারও যে মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করছে তা স্পষ্ট।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও পশ্চিমের দেশগুলির সঙ্গে এই মুহূর্তে রাশিয়ার বিবাদ তুঙ্গে। ফলে পুরোন বন্ধু ভারতকে আরও কাছে পেতে চাইছে মস্কো। একইভাবে কৌশলগত দিক থেকে আমেরিকাকে কোণঠাসা করতে চিনের সঙ্গে জোট গড়তে তৎপর পুতিন প্রশাসন। তাই দুই ‘বন্ধু দেশে’র মধ্যে সংঘাত চাইছে না রাশিয়া। লাদাখ-সহ ভারত ও চিনের মধ্যে থাকা সীমান্ত বিবাদ আলোচনার মাধ্যমে মেটানোর পক্ষেই রাশিয়া। এরজন্যই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে জোর দিচ্ছে ক্রেমলিন।

[আরও পড়ুন: সীমান্ত সংঘাতের আবহে তিব্বতে আণবিক, জৈবিক ও রাসায়নিক যুদ্ধের মহড়া চিনের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.